রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ড. এএফএম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হবে মঙ্গলবার দুপুরে। রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বেলা ১১টা থেকে চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় পড়া শুরুর কথা ছিল।


আদালত সূত্রে জানা গেছে, রায় ঘোষণার আগে আদালতে আরও  দু’একটি মামলার কার্যক্রম চলবে। সেসব মামলায় কয়েকজনের সাক্ষ্যও গ্রহণ করবেন বিচারক শিরীন কবিতা আখতার। তাই রায় ঘোষণায় কিছুটা বিলম্ব হবে। দুপুর সাড়ে ১২টার পর শিক্ষক হত্যা মামলার রায় ঘোষণা শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।

এদিকে আলোচিত এই মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই রাজশাহীর আদালত চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অবস্থান নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক পুলিশ। পাশাপাশি ভিড় জমিয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা। এছাড়া নিহত শিক্ষকের পরিবারের সদস্য, সহকর্মী এবং শিক্ষার্থীরাও আদালতে এসেছেন। তবে মামলার আসামিদের বেলা সোয়া ১১টা পর্যন্ত আদালতে হাজির করা হয়নি। এ সময় পর্যন্ত বিচারক আদালতের এজলাসেও ওঠেননি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আট আসামির মধ্যে চারজন কারাগারেই আছেন। অন্য মামলার আসামিদের প্রথমে কারাগার থেকে আদালতের হাজত এবং পরে আদালতে তোলা হলেও এই মামলার আসামিদের সরাসরি কারাগার থেকে আদালতে তোলা হবে। নিরাপত্তার কথা ভেবে তাদের হাজতখানায় ঢোকানো হবে না বলে জানা গেছে।

২০১৬ সালের ২৩ এপ্রিল রাজশাহী নগরীর শালবাগান এলাকায় নিজ বাড়ির অদূরে খুন হন অধ্যাপক রেজাউল করিম। এ ঘটনায় তার ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ বাদি হয়ে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় অজ্ঞাতদের আসামি করে হত্যা মামলা  করেন। তদন্ত শেষে ২০১৭ সালের ৬ নভেম্বর জেএমবির আটজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এর আগেই আসামি খায়রুল ইসলাম বাঁধন, নজরুল ইসলাম ও তারেক হাসান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী রাবির ইংরেজি বিভাগেরই ছাত্র শরিফুল ইসলাম এখনও পলাতক রয়েছেন। তার কোনো হদিস পায়নি পুলিশ। অভিযুক্ত অন্য চারজন হলেন, বগুড়ার শিবগঞ্জের মাসকাওয়াত হাসান ওরফে আব্দুল্লাহ ওরফে সাকিব, নীলফামারীর মিয়াপাড়ার মো. রহমতউল্লাহ, রাজশাহী মহানগরীর নারিকেলবাড়িয়া এলাকার আব্দুস সাত্তার ও তার ছেলে রিপন আলী।

রাজশাহীর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। ৩২ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। পরে ৯ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত উভয়পক্ষ আদালতে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন। এরপর ওই দিনই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.