ঘোষণা দিয়ে পড়ার টেবিলে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতারা! 

সাধারণত ছাত্রসংগঠনের শীর্ষ পদের নেতাদের পড়াশোনার চেয়ে সংগঠন নিয়ে ব্যস্ততা বেশি দেখা যায়। মধুর ক্যান্টিন কিংবা ক্যাম্পাসের এখানে-সেখানে কর্মী-সমর্থক পরিবেষ্টিত হয়ে আড্ডা কিংবা মিছিল-মিটিংয়ে ব্যস্ততা তাদের। আর ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের নেতা হলে তো আরও নানা কাজে দম ফেরার ফুরসত থাকে না।


 কিন্তু এবার ঘোষণা দিয়ে পড়ার টেবিলে বসেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের কয়েক নেতা। 

 কোটা সংস্কার আন্দোলনে কয়েকটা দিন উত্তাল থাকার পর এখন অনেকটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স চাকরির জ্ঞান অর্জনের জন্য ঘোষণা দিয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে পড়াশোনায় বসেছেন।

 শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিলের ঘোষণা দেন। এরপর থেকে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা চাকরির জন্য পড়াশোনায় মন দিয়েছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স সোমবার কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে যেতে শুরু করেছেন বলে জানা গেছে।

 গতকাল সোমবার তারা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে বসে বই হাতে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছবি আপলোড করেন। 

 প্রিন্স ছবি পোস্ট করে লেখেন, ‘কোনো গুজব হবে না, শুধু পড়াশোনা করব সবাই একসাথে।’

 সভাপতি আবিদ আল হাসান তার ফেসবুকে লেখেন, ‘আগামীকাল সকাল থেকে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করব। প্রচুর জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’

 এদিকে আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে আবিদ আল হাসান কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে গিয়ে ফেসবুকে চেক ইন দেন ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি সেন্ট্রাল লাইব্রেরি।’ প্রিন্সকে ট্যাগ করে লেখেন,‘ফিলিং গ্রেট।’

 এদিকে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের দুই শীর্ষ নেতা লাইব্রেরিতে আসার পর সেখানে সংগঠনটির শতাধিক কর্মীকে দেখা গেছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।

 ক্যাম্পাসের নেতাকর্মী পরিবেষ্টন ছেড়ে লাইব্রেরির টেবিলে বই নিয়ে বসার বিষয়ে জানতে চাইলে আবিদ আল হাসান বলেন, ‘আমাদের পরিচয় আমরা আগে শিক্ষার্থী। পরে ছাত্রসংগঠনের নেতা। আমরা চাকরির জন্য পড়াশোনা করতেই লাইব্রেরিতে এসেছি।’

 আর মোতাহার হোসেন প্রিন্স নিজের উদ্যোগেই লাইব্রেরিতে গিয়েছিলেন বলে জানান। তিনি বলেন, ‘আমি নিজ উদ্যোগে গিয়েছিলাম। নিজের চেতনা থেকে গিয়েছিলাম। ছাত্রলীগ মেধাবীদের সংগঠন। ভবিষ্যতেও লাইব্রেরিতে যাব।

’ গুঞ্জন আছে ছাত্রলীগে শিবিরের অনেকে অনুপ্রবেশ করেছেন, তাদের চিহ্নিত করতে লাইব্রেরিতে যান ঢাবি ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে প্রিন্স বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি অনেক আাগে থেকে নিষিদ্ধ। এখানে জামায়াত-শিবির নেই। আমরা তাদের চিহ্নিত করতেও যাইনি।’

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.