একাদশ সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেড় বছরের কর্মপরিকল্পনা বা রোডম্যাপ প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই রোডম্যাপে সাতটি করণীয় বিষয় নির্ধারণ করেছে তারা।


এর মধ্যে রয়েছে—আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার; নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ গ্রহণ; সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ; নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সরবরাহ; বিধিবিধান অনুসরণপূর্বক ভোটকেন্দ্র স্থাপন; নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধি করার কার্যক্রম গ্রহণ। এ ছাড়া পরিকল্পনায় কোন কাজ কখন সম্পন্ন করা হবে সে জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সংলাপ হবে ৩১ জুলাই থেকে অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত। আইন সংস্কার—২০১৭ জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি ২০১৮ পর্যন্ত। সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস— জুলাই-আগস্ট ২০১৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৭। ভোটার তালিকা—২৫ জুলাই থেকে শুরু, জানুয়ারিতে চূড়ান্ত প্রকাশ, ২০১৮ সালের জুনে ৩০০ আসনের ভোটার তালিকা মুদ্রণ করবে ইসি। নতুন দল নিবন্ধন—অক্টোবর ২০১৭ থেকে মার্চ ২০১৮ এর মধ্যে শেষ করা হবে। ভোটকেন্দ্র—২০১৮ জুন-আগস্ট তফসিল ঘোষণার পর থেকে ভোটের অন্তত ২৫ দিন আগে গেজেট প্রকাশ এবং ২০১৮ সালের জুলাই থেকে তফসিল ঘোষণা ও ভোটের সাত দিন আগ পর্যন্ত চলবে প্রশিক্ষণের কাজ।

গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পাঁচ সদস্যের নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের পাঁচ মাসের মাথায় এই নির্বাচনী রোডম্যাপ প্রকাশ করা হলো। গতকাল নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট সম্মেলন কক্ষে এই কর্মপরিকল্পনা প্রকাশ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ে সংসদ নির্বাচন করতে দৃঢ়তার সঙ্গে ও সুচিন্তিত পন্থায় এগিয়ে যাচ্ছে। দেশবাসী একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছেন। সার্বিকভাবে দেশে জাতীয় নির্বাচনের একটি অনুকূল আবহ সৃষ্টি হয়েছে। কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো নিয়ে স্টেকহোল্ডার, গণমাধ্যম, দলসহ সংশ্লিষ্টদের সামনে এসব উপস্থাপন করে সবার মতামত নেবে ইসি। সবার মতামতের আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আইনানুগ ও গ্রহণযোগ্য করে তোলা সম্ভব বলে ইসি বিশ্বাস করে। এ ক্ষেত্রে সবার মতামতের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে এ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি। এ নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণে অন্যতম সাতটি বিষয়ে রাজনৈতিক দলসহ অন্যান্য স্টোকহোল্ডারের সঙ্গে সংলাপ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেই হিসেবে ৩১ জুলাই  থকে সংলাপ শুরু করবে ইসি। আর অক্টোবর পর্যন্ত ধাপে ধাপে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম, পর্যবেক্ষক সংস্থা, সাবেক সিইসি-ইসি, নারীনেত্রী ও রাজনৈতিক দলের মতামত নেওয়া হবে।

১. আইনি কাঠামো পর্যালোচনা ও সংস্কার : রোডম্যাপে জুলাই থেকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন সংস্কার ও প্রণয়নের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আইন সংস্কারের বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত তথা সংলাপ করবে ইসি। আর ডিসেম্বরে সংলাপের সুপারিশমালার খসড়া তৈরি এবং আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে আইন প্রণয়নের ব্যবস্থা করবে তারা। কর্মপরিকল্পনায় বলা হয়েছে, নির্বাচন পরিচালনায় বিদ্যমান আইন-বিধি প্রয়োগ করে অতীতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা সম্ভব হয়েছে। এখন আইনি কাঠামোর আমূল সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলে ইসি বিবেচনা করে না। তবে পরিবেশ-পরিস্থিতির পরিবর্তনের মুখে এগুলো আরও যুগোপযোগী করার সুযোগ রয়েছে, যাতে ভোট প্রক্রিয়া আরও সহজ ও অর্থবহ হয়। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) ও নির্বাচন পরিচালনা বিধি অনুযায়ী ‘পোস্টাল ব্যালটে’ ভোটে দেওয়ার প্রক্রিয়াটি জটিল। বিশেষ করে বিদেশে অবস্থানরতদের সহজ পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার কাঠামো বের করা প্রয়োজন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রার্থীর গেজেট প্রকাশ নিয়ে বিধিতে অস্পষ্টতা রয়েছে উল্লেখ করে তা দূর করার প্রস্তাব করে কমিশন। সেই সঙ্গে আইনি কাঠামো পর্যালোচনা করে আরও অসংগতি পেলে তা দূর করতে উদ্যোগ থাকবে ইসির। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে এ পর্যন্ত দুই শতাধিক সংশোধনী আনা হয়েছে। এ আইনটি যুগোপযোগী করতে আরও সংস্কার প্রয়োজন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ও সীমানা পুনর্নির্ধারণ অধ্যাদেশ বাংলা ভাষায় রূপান্তর করা গেলে ভোটার, প্রার্থী ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সবার কাছে সহজবোধ্য হবে বলে মনে করছে ইসি। সীমানা পুনর্বিন্যাসে নতুন প্রশাসনিক এলাকা ও বিলুপ্ত ছিটমহলগুলোকে নিয়ে নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্ধারণ করতে চায় ইসি। বিদ্যমান অধ্যাদেশে জনসংখ্যার বিবেচনায় আসন বিন্যাস করা হয়। জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় শহর ও গ্রামাঞ্চলের আসনে বৈষম্য সৃষ্টি হবে। বড় শহরের জনসংখ্যা বাড়লেও অনেকে ভোটার হন গ্রামাঞ্চলে। ইসির প্রস্তাব হচ্ছে, আইন সংস্কার করে শুধু জনসংখ্যাকে বিবেচনা না করে জনসংখ্যা, ভোটারসংখ্যা ও আয়তনকে বিবেচনায় আনা যেতে পারে। রাজধানীর মতো বড় শহরের আসনসংখ্যা সীমিত করে নির্দিষ্ট করা যায় বলে মনে করে সংস্থাটি।

২. নির্বাচন প্রক্রিয়া সহজ ও যুগোপযোগী করতে পরামর্শ গ্রহণ : বলা হয়েছে—গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সূচনালগ্ন থেকে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, সংবাদমাধ্যম এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত। তারা বর্তমানে প্রচলিত প্রক্রিয়াসমূহ পর্যবেক্ষণ করছেন। আর নির্বাচন-সংক্রান্ত যে কোনো আইনি কাঠামো ও প্রক্রিয়া প্রণয়নের এবং তা সংস্কারের প্রয়োজনে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ থাকা বাঞ্ছনীয়। নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট সবার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান কাজে লাগিয়ে একটি যুগোপযোগী আইনি কাঠামো ও প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার প্রস্তুতি নিয়েছে। এ জন্য ৩১ জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে সংলাপ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপ, আগস্টে গণমাধ্যম, আগস্ট-সেপ্টেম্বরে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন, অক্টোবরে নির্বাচন পর্যবেক্ষক, নারীনেত্রী ও নির্বাচন পরিচালনা বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সংলাপের সূচি রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নভেম্বর সুপারিশমালার প্রাথমিক খসড়া প্রস্তুত এবং ডিসেম্বরে তা চূড়ান্ত করবে ইসি। 

৩. সংসদীয় এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণ : বলা হয়েছে—প্রশাসনিক সুবিধা, আঞ্চলিক অখণ্ডতা, আয়তন এবং জনসংখ্যার বিভাজনকে যতদূর সম্ভব বিবেচনায় রেখে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণে কাজ করা সমীচীন হবে। সময়ের পরিবর্তনে এবং জনগণের শহরমুখী প্রবণতার কারণে বড় শহরগুলোতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জনসংখ্যার আধিক্য বা ঘনত্ব বিবেচনা করা হলে শহর এলাকায় সংসদীয় আসনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। অন্যদিকে পল্লি অঞ্চলে আসনসংখ্যা কমে যাবে। ফলে শহর ও পল্লি অঞ্চলের সংসদীয় আসনে বৈষম্য সৃষ্টির সুযোগ হবে। সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় শুধু জনসংখ্যার ওপর ভিত্তি না করে জনসংখ্যা, ভোটারসংখ্যা ও সংসদীয় এলাকার পরিমাণ বিবেচনায় নিয়ে সীমানা নির্ধারণ করার জন্য আইনি কাঠামোতে সংস্কার আনা প্রয়োজন। কেননা ভোটার তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হয়। জনসংখ্যা, মোট আয়তন ও ভোটারসংখ্যা উভয়কে প্রাধান্য দিয়ে বড় বড় শহরের আসনসংখ্যা সীমিত করে দিয়ে আয়তন, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও উপজেলা ঠিক রেখে সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণের বিষয়টি কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। নতুন সৃষ্ট প্রশাসনিক এলাকা এবং বিলুপ্ত ছিটমহলগুলো মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট জাতীয় সংসদ নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনর্নির্ধারণের প্রয়োজন হবে।   সংসদীয় আসনের সীমানা নির্ধারণ আইনের অধীনে একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সমাপ্ত করা হয়। এ জন্য জুলাই-আগস্ট থেকে শুরু করে ডিসেম্বরের মধ্যে সংসদীয় আসনের সীমানার চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করার সময়সীমা দেওয়া হয়েছে রোডম্যাপে।

৪. নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও সরবরাহ : ২৫ জুলাই থেকে ভোটার হালনাগাদ শুরু করে আগামী ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ৩০০ আসনের ভোটার তালিকা মুদ্রণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

৫. ভোটকেন্দ্র স্থাপন : আগামী নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্র নির্ধারণের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে ২০১৮ সালের জুন মাসে। জুলাইয়ে ভোটকেন্দ্রের খসড়া প্রকাশ, আগস্টে দাবি/আপত্তি নিষ্পত্তি করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। আর ভোট গ্রহণের ২৫ দিন আগে কমিশন তা গেজেট আকারে প্রকাশ করবে। তফসিল ঘোষণার পর সেই তালিকা রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠাবে ইসি।

৬. নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা : আগামী অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নিবন্ধনের শর্তাদি পালন করছে কি না এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করবে ইসি। আগামী বছর জানুয়ারিতে সে অনুযায়ী তাদের নিবন্ধন বহাল রাখার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে। এর আগে চলতি বছর অক্টোবরে নতুন দলের নিবন্ধনের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করবে ইসি। আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে নতুন দলের নিবন্ধন প্রদান করা হবে। আর মার্চে নতুন নিবন্ধিত দলের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

৭. সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ : নির্বাচন কমিশনের জনবল প্রায় তিন হাজার। এর মধ্যে সদর দফতরে রয়েছে ৩০০ জনের অধিক। সার্বিক নির্বাচন পরিচালনায় প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারী অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে থাকেন। কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তাদের জন্য বছরব্যাপী নানামুখী পেশাভিত্তিক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে কমিশন। জাতীয় নির্বাচনের আগে বেসামরিক-সামরিক প্রশাসন নির্বিশেষে সব পক্ষকে নির্বাচন প্রক্রিয়ার মধ্যে সম্পৃক্ত করা হয়। সে কারণে নির্বাচন কমিশনের নিয়মিত প্রশিক্ষণের বাইরে জাতীয় ও সাধারণ নির্বাচনের সময় সমস্যাভিত্তিক অবহিতকরণ এবং প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। এ জন্য আগামী বছর জুলাইয়ের মধ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নেবে ইসি। এ ছাড়া ভোট গ্রহণের আগে-পরেও নানা প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হবে। এ ছাড়া ভোটারদের সচেতনতা বাড়াতে ভোট গ্রহণের ছয় মাস আগে প্রচারণা চালাবে ইসি। আর ভোটের এক সপ্তাহ আগে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন বাহিনীর সঙ্গে মতবিনিময় করার পরিকল্পনাও রয়েছে সাংবিধানিক এই সংস্থার। ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০১৮ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝিতে একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ভোট গ্রহণের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ইসির মাঠ কর্মকর্তাদের। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। এ কর্মযজ্ঞ এগিয়ে নিতে চার নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে পৃথক চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসি।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.