বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, এই বাজেট হলো লুটপাটের বাজেট। আওয়ামী লীগের চুরি করার বাজেট। অর্থমন্ত্রীও নিজে কিছুই করতে পারেন না। 


বাজেট তৈরি হয় শেখ হাসিনার কথামতো। শেখ হাসিনা যা চান বাজেট তাই।  জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।  সুপ্রিম কোর্টের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে আজ বৃহস্পতিবার এক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে খালেদা জিয়া এসব কথা বলেন।

গ্যাসের দাম বাড়ানো বন্ধের আহ্বান জানিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, চালের দাম এত বেশি যে গরিব মানুষ খেতে পায় না। আওয়ামী লীগ মিথ্যাবাদী, দুর্নীতিবাজ, অত্যাচারী, খুনি গুন্ডা সরকার। আওয়ামী লীগের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।

বিচার বিভাগ নিয়ে খালেদা বলেন, ‘সরকারের থাবা এত বেশি যে সব দিকে তারা হাত দিয়েছে। কোনো জায়গা বাদ রাখেনি। বিচার বিভাগের কী দুরবস্থা তা আমরা প্রধান বিচারপতির বক্তব্য পড়ে বুঝতে পারি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য থেকে আমরা বুঝেছি যে নিম্ন আদালত পুরোপুরি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। সেখানে সরকার যা নির্দেশ দেয় বিচারকদের সেই নির্দেশ মেনে কাজ করতে হয় এবং রায় দিতে হয়।’ তিনি বলেন, বিচারকেরা বিবেকমতো রায় দিলে চাকরিচ্যুত হতে হয়। দেশছাড়া হতে হয়। নানা রকম মামলা দিয়ে তাঁকে হয়রানি করা হয়।

নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে জানিয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেন, ‘নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন হতে হবে। যেখানে সবার সমান সুযোগ থাকবে। সবাই সমানভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে। এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যে দল বিজয়ী হবে, জনগণ তাকে মেনে নেবে। আওয়ামী লীগ নানাভাবে ষড়যন্ত্র করছে ৫ জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন করতে। এমন নির্বাচনে বাংলাদেশের মানুষ অংশগ্রহণ করবে না। কোনো দল অংশগ্রহণ করবে না। যদি আওয়ামী লীগ জোর করে নির্বাচন করে, তাহলে সেই নির্বাচন থেকে তাদের বিদায় নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ দেশকে শেষ করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন খালেদা। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিচারকসহ জনগণের জেগে ওঠা উচিত। ঐক্যবদ্ধ হওয়া উচিত। দেশ থেকে এই অত্যাচারীদের বিদায় করতে হবে।

সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি খালেদা জিয়া কথা বলেন ভিশন-২০৩০ নিয়েও। তিনি বলেন, ‘ভিশনে সব স্তরের মানুষের কথা লেখা আছে। ভিশন যদি আমরা শুরু করতে পারি তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম এই আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও বাজেট নিয়ে কথা বলেন। বাজেটকে পকেট কাটার বাজেট মন্তব্য করে ফখরুল বলেন,‘ সরকার যে বাজেট দিয়েছে তার সঙ্গে জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই। 

বাজেট জনগণের পকেট কাটার বাজেট। যে বাজেট করের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে জনগণের ওপর। বাজেট দিয়ে জনগণের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে সরকার। তিনি মনে করেন, এই বাজেট বাস্তবায়ন অসম্ভব।

এ ছাড়া ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়ে বক্তব্য দেন মওদুদ আহমদ, মির্জা আব্বাস, জমির উদ্দিন সরকার, মাহবুব উদ্দিন খোকন, সানাউল্লাহ মিয়া, মাসুদ আহমেদ তালুকদারসহ বিএনপির নেতারা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদিন।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.