পুলিশ কনস্টেবল হালিমা আক্তারময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার কনস্টেবল হালিমা আক্তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় ওই থানার এক এসআইকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। 

কনস্টেবলের আত্মহত্যার পর এসআই প্রত্যাহার

এসআই মিজানুল ইসলামের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে ওই নারী কনস্টেবল আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এদিকে, এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এ নেওয়াজীকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। গঠিত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার ও কোর্ট ইন্সপেক্টর নওয়াজেশ আলী মিয়া। কমিটিকে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এসএ নেওয়াজী জানান, রবিবার রাতেই মিজানুল ইসলামকে ময়মনসিংহ পুলিশ লাইনে পাঠানো হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গৌরীপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সীমা রানী সরকার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। মিজানুল জড়িত থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, এসআই মিজানুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কনস্টেবল হালিমা আক্তারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় ওই নারী কনস্টেবল আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। প্রসঙ্গত, রবিবার বেলা ৩টার দিকে হালিমা খাতুন গৌরীপুর নারী পুলিশ ব্যারাকে নিজ কক্ষে গিয়ে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। হালিমার চিৎকারে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

হালিমা আক্তার ২০১১ সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে যোগ দেন। তিনি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার গৌরাকান্দা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হেলাল উদ্দিন আকন্দের মেয়ে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.