কলকাতার টেলিভিশন সিরিয়ালের বয়স মোটামুটি তিন দশক। তবে ডেইলি সোপ ব্যাপারটা অনেক পরে এসেছে। এ ফর্মেটের বয়সও কম নয়, মোটামুটি বছর দশেক। 

 কলকাতার সিরিয়াল থেকে দর্শক যা শিখছে

এই ১০ বছরে দর্শক অনেক কিছুই শিখেছে বাংলা সিরিয়াল থেকে। যেমন—

১. বিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে জীবনে খাওয়া-দাওয়ার থেকেও সাজগোজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাতসকালে উঠে বরকে বেড-টি দেওয়ার আগে যদি বেনারসী শাড়ি ও শরীর ভর্তি গয়না পরে সেজে না ফেলা যায় তবে দিনটাই মাটি!

২. শ্বশুরবাড়ি যত অত্যাচারই করুক না কেন, কুচুটে ননদ-ছোট জা-বিগড়ে যাওয়া দেবর খুন করে লাশ গুম করে দেওয়ার চেষ্টা করলেও তাদের ক্ষমা করে দিতে হবে। ‘ঘর এক মন্দির’ ভেবে তাদের সবাইকে শর্তহীনভাবে ভালোবেসে যেতে হবে।

৩. নিজে দাঁড়িয়ে থেকে যদি অন্য কোনো মেয়ের সঙ্গে বরের বিয়ে না দেওয়া যায়, এবং তারপরেও একই বাড়িতে ন্যাকাবোকা-ভালো মানুষ সেজে না থাকা যায়, তবে তো জীবনের কোনো মানেই হয় না!

৪. যে সব ছেলেরা সিঙ্গেল, জীবনসঙ্গিনীর সন্ধানে রয়েছেন, তাদের জন্য অব্যর্থ টিপ— ভালো মেয়েরা শাড়ি পরে, বড়জোর কুর্তা বা সালোয়ার-কামিজ এবং তাদের দুর্গা ঠাকুরের মতো কোমর ছাড়িয়ে যাওয়া ঢেউ খেলানো চুল থাকে। আর বদমায়েশ মেয়ের লক্ষণ শর্ট হেয়ারকাট, বিচিত্র রঙের হাইলাইটস ও ওয়েস্টার্ন পোশাক।

৫. বিয়ে ও শ্বশুরবাড়ি সেবাই মেয়েদের জীবনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। তাই তাদের পড়াশোনা, শিক্ষাদীক্ষার খুব একটা প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন তখনই আছে যদি হঠাৎ শ্বশুরবাড়ির মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে কারণ তখন একমাত্র তাকেই ব্যবসার হাল ধরতে হয়।

সূত্র : এবেলা

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.