প্রথম ইনিংসে ৪৯৪ রান করা স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা তাদের দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরুটা ভালোই করেছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো উইকেট না হারিয়ে তাদের সংগ্রহ ৪৫/০। এর সুবাদে ইতিমধ্যেই ২২৭ রানের লিডও পেয়ে গেছে।

দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো শুরু শ্রীলঙ্কার

এর আগে সফরকারী বাংলাদেশ তাদের প্রথম ইনিংসে সব উইকেট হারিয়ে ৩১২ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে মুশফিকুর রহিম ৮৫ ও সৌম্য সরকার ৭১ রান করেন। গতকালকের মুশফিকের ইনিংসটাকে নিঃসন্দেহে একক লড়াই বলে দাবি করা যায়। লম্বা সময় ধরে কিপিং করার পর ব্যাটিংয়ে নামতেন ৫-৬ নম্বরে। ফলে প্রায়শ টেইল এন্ডারদের নিয়ে ব্যাটিং করতে হতো। সেখানে মুশফিকের একক লড়াই হয়তো দলকে এতোটা হতাশ করতো না। কিন্তু দুর্ভাগ্য, চার নম্বরে উঠে আসার পরও সেভাবে সঙ্গী পেলেন না।

এক লেজের দিকের থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ যা একটু সমর্থন দিলেন। তা বাদ দিলে প্রমোশনের পরও মুশফিককে সেই পুরোনো একক লড়াই করতে হলো। গল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গতকাল ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিলে লড়লেন চারে উঠে আসা মুশফিক। অধিনায়ককে সঙ্গ দিলেন কেবল মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের দৃঢ়তায় গল টেস্টে ফলোঅন এড়াল বাংলাদেশ। তবে বিপদ কাটেনি তাতে। প্রথম ইনিংসে ১৮২ রানের লিড নিয়ে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণে শ্রীলঙ্কা।

প্রথম ২২ রান করতে ৮৮ বল খেলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক। ৮৯তম বলে হেরাথকে উড়িয়ে বিশাল ছক্কায় আসে তার প্রথম বাউন্ডারি। ১০৭ বলে অর্ধশতকে পৌঁছানোর পথে তার ব্যাট থেকে আরো চারটি চার। হেরাথকেই এগিয়ে এসে খেলতে গিয়ে বোল্ড হয়ে শেষ হয় মুশফিকের ১৬১ বল স্থায়ী ৮৫ রানের ইনিংস।

মুশফিকের দৃঢ়তা দেখা যায়নি দলের অন্য ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। শট খেলতে গিয়ে উইকেট দিয়ে আসেন মিডলঅর্ডারের ব্যাটসম্যানরা। চাইলে টিকে থাকা তাদের জন্য খুব কঠিন ছিল না। পরিস্থিতিও তাদের কাছে শট খেলার দাবি জানায়নি। তবুও খেললেন, উইকেট দিলে এলেন।

আগের দিন চমত্কার ব্যাটিং করা সৌম্যর বাজে শটে শুরু। লেগ স্টাম্পে সুরঙ্গা লাকমলের শর্ট বল ছেড়ে দিতে গিয়েও ছাড়েননি বাঁহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান। পুলও ঠিক মতো করতে পারেননি, ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ মুঠোয় নেন লাহিরু কুমারা।

এক প্রান্তে যথারীতি মাটি কামড়ে পড়ে থাকেন মুশফিক। সাকিব একবার ব্যাটের কানায় লেগে ফাইন লেগ দিয়ে ছক্কা পান তিনি; সেটি ফিল্ডারের হাতেও যেতে পারতো। চায়নাম্যান লাকশান সান্দাকানের গুগলিতে শেষ হয় তার টি-টোয়েন্টি মেজাজের ইনিংস।

নির্বিষ গুগলি বুঝতে পারেননি সাকিব। মিডল স্টাম্পে পড়ে লেগ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হঠাত্ চড়াও হন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ঠিক মতো ব্যাটে লাগেনি, ক্যাচ জমা পড়ে নিরোশান ডিকভেলার হাতে।

দুই অঙ্কে যেতে পারেননি চার থেকে ছয় নম্বরে নেমে আসা মাহমুদউল্লাহ। তৃতীয় দিন শুরুর আগে স্টেডিয়ামের নেটে লম্বা সময় ধরে ব্যাটিং করেন মিরাজ। মাঠে মেলে কঠোর পরিশ্রমের প্রমাণ। তরুণ এই অলরাউন্ডার যখন ক্রিজে আসেন তখন দল ফলোঅনের শঙ্কায়। অধিনায়কের সঙ্গে তার ১০৬ রানের জুটিতে সেই শঙ্কা উড়ায় অতিথিরা।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.