মেইলের মাধ্যমে ব্যাকআপ সুবিধা পাওয়ায় বর্তমানে সহজেই এক মোবাইল ফোনের ডাটা অন্য সেটে স্থানান্তর করা যায়। অবশ্য এর যেমন সুবিধা রয়েছে আবার অসুবিধাও রয়েছে। অনেকে অন্যের সেট ব্যবহার করতে গিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। 

মোবাইলের কারণে সম্পর্ক ভাঙছে প্রায়ই

কখনও কখনও সেটা সম্পর্ক ছেদের কারণও হয়। তেমনই এক সমস্যা নিয়ে এবারের প্রতিবেদন।

সমস্যা: এক নারী জানিয়েছেন, সম্প্রতি আমার স্মার্ট ফোনটি হারিয়ে যাওয়ায় কাজ চালানোর জন্য অফিসের এক সহকর্মীর মোবাইল সেটটি কিছুদিনের জন্য ধার নেই। ফোনটিতে অনেক মেসেজ, ফোন নম্বর ও ডাটা থাকলেও ব্যবহারের সুবিধার্থে সেগুলো ডিলেট করে দেই। কিন্তু খেয়াল না করায় সেটটিতে সহকর্মীর মেইলটি সচলই ছিল। তাছাড়া অল্প ক’দিনের জন্য ব্যবহার করব বলে সেটটি ভালোভাবে ঘেঁটেও দেখিনি।
ফলে যখনই আমার সেই সহকর্মী তার অন্য সেটে কোনো মেসেজ কিংবা মেইল আদান প্রদাণ করত, তখনই তা আমার সেটেও আসত এবং দেখা যেত। যদিও বিষয়টি আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেইনি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, একদিন আমার প্রিয় মানুষটি সেটটি দেখতে গিয়ে বেশ কিছু মেসেজ পড়েন। এরপরই সে আমার উপর চড়াও হয়। আমাকে দেখান, সেখানে বেশ কিছু আপত্তিকর মেসেজ রয়েছে। যার কোনো কোনোটিতে যৌন বিষয়ক লেখাও রয়েছে। আসলে আমার সেই সহকর্মীটি তার প্রিয়জনকে এই ধরনের কোনো বার্তাগুলো পাঠিয়েছিল।
আমি তাকে বোঝাতে চাই, সেটটি আমার নয়! কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করছি বলে বার্তাগুলো নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আর অন্যের মেসেজ বলে সেগুলো পড়েও দেখিনি। কিন্তু সে আমার কথা কানেই নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়। তখনই সে রাগ করে চলে যায়। এবং এখন পর্যন্ত সে কোনো যোগাযোগ করেনি। এমন অবস্থায় আমার কী করার আছে। আসল সত্যতা সে কোনোভাবেই মানতে চাইছে না। কী করলে আমাদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হবে?
সমাধান: বিষয়টা ভুল বোঝাবুঝির এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এর জন্যে আপনার প্রিয়জনকে যতটা না দায়ি করা যায়, তার চেয়েও বেশি ভুল হয়েছে আপনার নিজেরই। ব্যবহারের জন্য যেহেতু আপনি ফোন সেটটি সহকর্মীর কাছ থেকে নিয়েছিলেন, তাই সেটি কীভাবে চালাবেন তা আপনার উপরই নির্ভর করছিল। আপনার কথা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সেটটি বেশ কয়েকদিনের জন্য ধার নিয়েছিলেন। তাই দীর্ঘ ব্যবহারের জন্য যদি সেই মোবাইলের সব মেসেজ আর ফোন নম্বর ডিলেট করে থাকেন তবে মেইল এড্রেসটাও সাইন আউট করা প্রয়োজন ছিল। কেননা, সহকর্মী সেটটি ফেরত পেলে আবারও সাইন ইন করে মেইলে থাকা সব ডাটা নামিয়ে নিতে পারতেন। এজন্যে তার খুব বেশি বেগ পেতে হতো না।
সমস্যা হচ্ছে আপনি অর্ধেক কাজ করেছেন। যেহেতু, আপনি সেটটি ব্যবহার করছেন তাই অস্থায়ী হলেও সেটির মালিক এখন আপনি। প্রিয়জন যদি আপত্তিকর মেসেজ দেখেই থাকেন তবে তাকে বোঝানোটা একটু কঠিনই। তবে সমাধান অবশ্যই আছে। আপনি প্রিয়জনকে আপনার অফিসের সহকর্মীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন। তিনিই বিষয়টির ব্যাখ্যা ভালো দিতে পারবেন। তাছাড়া, প্রিয়জন যদি আপনার উপর বিশ্বাস রেখে থাকেন তবে ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি বেশিদূর গড়াবে না। জানেন তো, বিশ্বাসই সম্পর্কের মূল ভিত্তি।


মেইলের মাধ্যমে ব্যাকআপ সুবিধা পাওয়ায় বর্তমানে সহজেই এক মোবাইল ফোনের ডাটা অন্য সেটে স্থানান্তর করা যায়। অবশ্য এর যেমন সুবিধা রয়েছে আবার অসুবিধাও রয়েছে। অনেকে অন্যের সেট ব্যবহার করতে গিয়ে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। কখনও কখনও সেটা সম্পর্ক ছেদের কারণও হয়। তেমনই এক সমস্যা নিয়ে এবারের প্রতিবেদন।
সমস্যা: এক নারী জানিয়েছেন, সম্প্রতি আমার স্মার্ট ফোনটি হারিয়ে যাওয়ায় কাজ চালানোর জন্য অফিসের এক সহকর্মীর মোবাইল সেটটি কিছুদিনের জন্য ধার নেই। ফোনটিতে অনেক মেসেজ, ফোন নম্বর ও ডাটা থাকলেও ব্যবহারের সুবিধার্থে সেগুলো ডিলেট করে দেই। কিন্তু খেয়াল না করায় সেটটিতে সহকর্মীর মেইলটি সচলই ছিল। তাছাড়া অল্প ক’দিনের জন্য ব্যবহার করব বলে সেটটি ভালোভাবে ঘেঁটেও দেখিনি।
ফলে যখনই আমার সেই সহকর্মী তার অন্য সেটে কোনো মেসেজ কিংবা মেইল আদান প্রদাণ করত, তখনই তা আমার সেটেও আসত এবং দেখা যেত। যদিও বিষয়টি আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেইনি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, একদিন আমার প্রিয় মানুষটি সেটটি দেখতে গিয়ে বেশ কিছু মেসেজ পড়েন। এরপরই সে আমার উপর চড়াও হয়। আমাকে দেখান, সেখানে বেশ কিছু আপত্তিকর মেসেজ রয়েছে। যার কোনো কোনোটিতে যৌন বিষয়ক লেখাও রয়েছে। আসলে আমার সেই সহকর্মীটি তার প্রিয়জনকে এই ধরনের কোনো বার্তাগুলো পাঠিয়েছিল।
আমি তাকে বোঝাতে চাই, সেটটি আমার নয়! কিছুদিনের জন্য ব্যবহার করছি বলে বার্তাগুলো নিয়ে মাথা ঘামাইনি। আর অন্যের মেসেজ বলে সেগুলো পড়েও দেখিনি। কিন্তু সে আমার কথা কানেই নেয়নি। বিষয়টি নিয়ে আমাদের মধ্যে ঝগড়াও হয়। তখনই সে রাগ করে চলে যায়। এবং এখন পর্যন্ত সে কোনো যোগাযোগ করেনি। এমন অবস্থায় আমার কী করার আছে। আসল সত্যতা সে কোনোভাবেই মানতে চাইছে না। কী করলে আমাদের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হবে?
সমাধান: বিষয়টা ভুল বোঝাবুঝির এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে এর জন্যে আপনার প্রিয়জনকে যতটা না দায়ি করা যায়, তার চেয়েও বেশি ভুল হয়েছে আপনার নিজেরই। ব্যবহারের জন্য যেহেতু আপনি ফোন সেটটি সহকর্মীর কাছ থেকে নিয়েছিলেন, তাই সেটি কীভাবে চালাবেন তা আপনার উপরই নির্ভর করছিল। আপনার কথা থেকেই বোঝা যাচ্ছে, সেটটি বেশ কয়েকদিনের জন্য ধার নিয়েছিলেন। তাই দীর্ঘ ব্যবহারের জন্য যদি সেই মোবাইলের সব মেসেজ আর ফোন নম্বর ডিলেট করে থাকেন তবে মেইল এড্রেসটাও সাইন আউট করা প্রয়োজন ছিল। কেননা, সহকর্মী সেটটি ফেরত পেলে আবারও সাইন ইন করে মেইলে থাকা সব ডাটা নামিয়ে নিতে পারতেন। এজন্যে তার খুব বেশি বেগ পেতে হতো না।
সমস্যা হচ্ছে আপনি অর্ধেক কাজ করেছেন। যেহেতু, আপনি সেটটি ব্যবহার করছেন তাই অস্থায়ী হলেও সেটির মালিক এখন আপনি। প্রিয়জন যদি আপত্তিকর মেসেজ দেখেই থাকেন তবে তাকে বোঝানোটা একটু কঠিনই। তবে সমাধান অবশ্যই আছে। আপনি প্রিয়জনকে আপনার অফিসের সহকর্মীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন। তিনিই বিষয়টির ব্যাখ্যা ভালো দিতে পারবেন। তাছাড়া, প্রিয়জন যদি আপনার উপর বিশ্বাস রেখে থাকেন তবে ভুল বোঝাবুঝির বিষয়টি বেশিদূর গড়াবে না। জানেন তো, বিশ্বাসই সম্পর্কের মূল ভিত্তি।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.