বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আইন কার জন্য? আইনতো মানুষের জন্য। যে আইন মানুষের উপকারে আসবে না, যে আইন মানুষের কল্যাণ করবে না, যে আইনে নাগরিক তার সমান অধিকার পাবে না, সে আইন তো আইন নয়।’

যে আইন জনকল্যাণে আসে না তা আইন নয় : ফখরুল

 রাজধানীর রমনায় অবস্থিত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (ইআইটি) মিলনায়তনে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন তিনি।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘পত্র পত্রিকা খুললেই দেখতে পাবেন বিএনপির বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্র কী? যে আইন অনুযায়ী বিএনপিকে নির্বাচনে আসতেই হবে। আইন কার জন্য? আইনতো মানুষের জন্য। যে আইন মানুষের উপকারে আসবে না, যে আইন মানুষের কল্যাণ করবে না, যে আইনে নাগরিক তার সমান অধিকার পাবে না, সে আইন তো আইন নয়। নির্বাচন করলেই তো হবে না, নির্বাচনতো কোনো বিষয় নয়; সে নির্বাচনের লক্ষ্য কী? আইন অনুযায়ী নির্বাচন করতেই হবে, যেখানে কোনো বিকল্প থাকবে না! আর কোনো দল থাকবে না বা যারা নির্বাচিত হতে পারে সে রকম দল থাকবে না, তাহলে সেই নির্বাচনকে কি আমরা নির্বাচন বলতে পারি? ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে কি আমরা নির্বাচন বলতে পারি? না। আজকে ওই একই কায়দায় আওয়ামী লীগ ছলচাতুরি করে, মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে গোল করতে চায়। এত সহজ নয়; বাংলাদেশের মানুষ কখনোই অন্যায়কে মেনে নেয়নি। সাময়িকভাবে এই সমস্ত প্রতারণাকারীরা, উৎপীড়কেরা, নির্যাতনকারীরা সফল হতে পারে, কিন্তু স্থায়ীভাবে তারা কখনই সফল হবে না।’

আওয়ামী লীগ আর গণতন্ত্র দুটি জিনিস এক সঙ্গে যায় না মন্তব্য করে বিএনপির সাবেক এ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই দুটি জিনিস অতীতেও যায়নি, এখনো যায় না। মুখে বলবে গণতন্ত্রে কথা, কাজ হাসিল করবে, ক্ষমতায় যাবে, তার পর তারা মনে করবে এ রাষ্ট্রটা তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। এটা তাদের পারসোনাল প্রপার্টি। তারা যেমন খুশি তেমন করে ব্যবহার করবে। এখানে কোনো আইন থাকবে না, রাষ্ট্রর জন্য যে বিধান রয়েছে তা থাকবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণের সঙ্গে রাষ্ট্রের যে চুক্তি সেই চুক্তিকে আওয়ামী লীগ পরোয়া করে না। মানুষের, নাগরিকের, অধিকারগুলোকে তারা দুমড়ে মুচড়ে নিঃশেষ করে দেয়। এ হচ্ছে আওয়ামী লীগ। তারা অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে থাকবে এবং তাদের নীল নকশা বাস্তবায়ন করবে।’

এ সময় তারেক রহমান সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান একটি সুদূরপ্রসারী চক্রান্তের স্বীকার হয়েছেন। যে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল ৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যার সময় থেকেই। জিয়াউর রহমানকে হত্যা ও তারেক রহমানের ওপর নির্মম অত্যাচার আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই।’

একই আলোচনা সভায় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্যই তারেক রহমানের ওপর নির্মম অত্যাচার করা হয়েছিল। বলবেন সেদিন তো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল না, হ্যাঁ ছিল না, কিন্তু এটা আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা ছিল।’
এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে রিজভী বলেন, ‘আমাদের কোনোভাবেই হতাশ হওয়া যাবে না। হতাশ হওয়ার কিছু নাই। আজকে আমরা এ বদ্ধঘরে আলোচনা করছি, সামনে আমরা আলোর দিকে আলোর পথে বাইরে বের হব।’

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.