সন্ধ্যা থেকে ঝুমবৃষ্টি। শুটিং না থাকলে শুক্রবার এফডিসিতে লোকজন কম থাকে। ৩ নম্বর ফ্লোরে সেদিন আলো জ্বলছিল। ফ্লোরের মূল ফটকের সামনে গিজগিজ করছিল মানুষ। ইউনিটের লোক ছাড়াও বৃষ্টিতে আশ্রয় খোঁজা লোকও ছিল। চলছিল হৃদয় জুড়ে ছবির শুটিং।

জেলখানায় নিরবকে দেখতে গেলেন প্রিয়াঙ্কা

মূল ফটকে ছিল পাহারা। সেটি পেরোলে আরেক ফটক, ওপরে লেখা ‘কনডেম সেল’। ভেতরের দুই পাশে ছোট ছোট কক্ষ, মাঝখান থেকে সরু পথ। দুটি কক্ষেই কয়েদির পোশাকে শুয়ে আছেন আসামিরা। ফ্লোরটিকে কয়েদখানা বানানো হয়েছে। তারই এক সেলের ভেতরে কয়েদির পোশাকে অভিনয়শিল্পী নিরব। বাইরে প্রিয়াঙ্কা। ক্যামেরা সচল। 

কান্নাজড়িত কণ্ঠে প্রিয়াঙ্কা বলছেন, ‘সব থেকে ভালো আমি তোকেই বেসেছিলাম, এখন সব থেকে ঘৃণাটা তোকেই করি।’ নিরবের চোখেও জল ছলছল করতে থাকে। মনিটরের মুখে বসা পরিচালক দৃশ্যটি নিলেন না। থেমে গেল ক্যামেরা। তিনি বললেন, ‘নিরবের চোখ থেকে পানি গড়িয়ে পড়া দেখাতে হবে।’ আবার নেওয়া হলো দৃশ্যটি। এরপর বললেন দুজনের আরও একটি ক্লোজ শট নিতে। সে জন্য লাইট-ক্যামেরার জায়গা পরিবর্তন করতে হবে।

কাহিনি জানালেন পরিচালক। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় নিরব-প্রিয়াঙ্কার প্রেম হয়। এর মধ্যে সোনালি নামের একটি মেয়েকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ফেঁসে যান নিরব। বিচারে ফাঁসি। প্রিয়াঙ্কার ধারণা, নিরবই দায়ী। শেষবারের মতো তাঁকে দেখতে আসেন প্রিয়াঙ্কা। সেই দৃশ্যটিই ধরা হলো এতক্ষণ, বলেন রফিক শিকদার।
কলকাতার মেয়ে প্রিয়াঙ্কা সরকার প্রথম বাংলাদেশের ছবিতে অভিনয় করছেন। ঢাকার ক্যামেরার সামনে প্রথম দাঁড়ালেন শুক্রবার। তিনি বললেন, ‘বিকেল থেকে কাজ শুরু করেছি। শুরুতে রাস্তাঘাটে আমার একক কিছু দৃশ্য নেওয়া হয়েছে। এখন নিরবের সঙ্গে। শুরুটা ভালোই হয়েছে।’
লাইট-ক্যামেরার জায়গা বদল শেষ। পরের দৃশ্যের জন্য ডাক পড়ে। মনিটরের দিকে মুখ ঘোরান পরিচালক।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.