লোমশ এবং ধাতব নখরওয়ালা এক পরিবর্তনশীল অ্যান্টি-হিরো। মার্কিন কমিকসের এই জনপ্রিয় চরিত্রটির নাম উলভারিন। এই ভূমিকায় ১৭ বছরে আটটি ছবিতে অভিনয় করেছেন হিউ জ্যাকম্যান। তারই ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহে লোগান ছবিটি মুক্তি পেয়েছে।
হিউ জ্যাকম্যান৪৮ বছর বয়সী অভিনেতা জ্যাকম্যান এবং ছবিটির পরিচালক জেমস ম্যানগোল্ড একমত হয়েছেন, এটাই উলভারিন চরিত্রে জ্যাকম্যানের শেষ কাজ। এক্স-মেন সিরিজের এই ছবি তুলনামূলক প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্যই নির্মিত।
লস অ্যাঞ্জেলেসে টোয়েন্টিয়েথ সেঞ্চুরি ফক্সের আয়োজনে ছবিটির পরিচিতি অনুষ্ঠানে ম্যানগোল্ড বললেন, খুব কঠিন কিছু করে দেখানোর লক্ষ্য স্থির করেই তাঁরা (তিনি এবং হিউ) কাজ শুরু করেছিলেন। তারই ফলাফল লোগান। সুপারহিরো বা কমিক কাহিনিনির্ভর—যা-ই বলুন না কেন, ছবিগুলোর কাজ শেষ করতে পারলে একধরনের অবসাদ মুক্তি মেলে।
লোগান চলচ্চিত্রের কাহিনিকাল ২০১৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এক্স-মেন: ডেজ অব ফিউচার পাস্ট-এর ঘটনাবলির অন্তত ৫০ বছর পরের সময়কার। এখানে ধূসর দাড়িওয়ালা উলভারিন বা লোগানকে অনেক বয়স্ক, ক্লান্ত ও অরক্ষিত অবস্থায় দেখা যায়। মেক্সিকান সীমান্তে তাঁর দিনযাপন, মুমূর্ষু প্রফেসর এক্সকে সারাতে ওষুধ জোগাড় করার চেষ্টা। একপর্যায়ে রহস্যময়ী এক নারী এসে উলভারিনকে অনুরোধ করেন, একটি অল্পবয়সী মেয়েকে বাঁচানোর জন্য। মেয়েটাও কিছু অসাধারণ ক্ষমতার অধিকারী, যদিও সে কালো শক্তিগুলোর আক্রমণের শিকার।
উলভারিন চরিত্রে জ্যাকম্যানের প্রথম অভিনয় সেই ২০০০ সালে। এক্স-মেন ছবি দিয়েই হলিউডে তাঁর যাত্রা শুরু। সুপারহিরোনির্ভর চলচ্চিত্রের ধারায় এটি নতুন মাত্রা যোগ করে। বক্স অফিস কাঁপিয়ে ব্যবসা করেছিল ছবিটি। পরিচালক ব্রায়ান সিঙ্গার ওই চরিত্রের জন্য এডওয়ার্ড নর্টন, রাসেল ক্রো ও কিয়ানু রিভসের বড় বড় তারকাদের সেধেছিলেন। একপর্যায়ে স্কটিশ তারকা ডুগ্রে স্কটকে চূড়ান্ত করলেও শেষ মুহূর্তে তাঁর পরিবর্তে অস্ট্রেলীয় অভিনেতা জ্যাকম্যানকেই বেছে নেন সিঙ্গার।
লোগান ছবিটির শুটিং হয়েছে লুইজিয়ানা ও নিউ মেক্সিকোর প্রচণ্ড গরমের মধ্যে। ১৯৫৩ সালের ‘শেইন’ গল্পের ছায়া অবলম্বনে এটি নির্মিত। গোল্ডেন গ্লোব ও টনি এওয়ার্ডজয়ী তারকা জ্যাকম্যান বহুদিন ধরেই বলে আসছেন, এক্স-মেন সিরিজের এটিই হবে তাঁর শেষ ছবি।
তিনি নিউইয়র্কের এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, উলভারিন একজন যোদ্ধা। তাকে একটা অস্ত্রের মতো ব্যবহার করা হয়েছে। অনেকটা খুনে যন্ত্রের মতো। শেইন গল্পের একটা উদ্ধৃতি অনুযায়ী খুনোখুনির সঙ্গে বসবাস সম্ভব নয়। সহিংসতার মাশুল তো দিতেই হয়। ছবিটির মধ্য দিয়ে কিছু বলার চেষ্টা আছে। আর তিনি মনে করেন, এই চরিত্রের অন্তিমে চলে এসেছেন। তার পরিচয়ও এবার প্রকাশ পেয়েছে।
আশিস আচার্য

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.