মহাকাশের রহস্যময় বিষয়ের অন্যতম ব্ল্যাক হোল। বহুদিন ধরেই সবার বিশ্বাস ছিল, ব্ল্যাক হোলে কোনো কিছু প্রবেশ করলে তা আর বের হতে পারে না। কিন্তু প্রশ্ন ছিল, তাহলে এ পদার্থগুলো কোথায় যায়? ব্ল্যাক হোলের ভেতরে কী করে? কিন্তু সাম্প্রতিক আবিষ্কার সে প্রশ্নের উত্তর জানার পথে একধাপ এগিয়ে নিয়েছে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে গ্যালাক্সি মনিটর। 
ব্ল্যাক হোলের ভেতর কিছু প্রবেশ করলে তা আর ফিরে আসে না, এ তথ্যকে হুমকির মুখে ফেলল সাম্প্রতিক আবিষ্কার। 
ব্ল্যাক হোল নামে এ সকল বিশাল কালো গহ্বরগুলো শক্তিশালী 'কসমিক ড্রেন'। এরা অসীম পরিমাণ বস্তু শুষে নিয়েছে এবং এদের গহ্বরে রয়েছে কয়েক শ বা কয়েক হাজার সূর্যের চেয়েও বেশি কিছু। 
নতুন খুঁজে পাওয়া এসব ব্ল্যাক হোলের সন্ধান মিলেছে পাঁচটি গ্যালাক্সির মধ্যবর্তী স্থানে। এদের মধ্য থেকে শক্তিশালী এক্স-রে নির্গত হয়। মূলত এই ৫টি ব্ল্যাক হোলের অস্তিত্ব খুঁজে পায় নাসার নিউক্লিয়ার স্পেকট্রোস্কোপিক টেলিস্কোপ অ্যারি (নুস্টার)। মহাকাশের এই টেলিস্কোপটি বিশেষভাবে তৈরি হয়েছে যা অতি শক্তিশালী এক্স-রে গ্রহণ করতে সক্ষম। 
নুস্টার টেলিস্কোপের সহায়তায় এ এক্স-রে নির্গত হওয়ার নিশ্চিত প্রমাণ পেয়েছেন গবেষকরা। মার্কারিয়ান ৩৩৫ নামে একটি ব্ল্যাক হোল থেকেই এ আবিষ্কার করা হয়েছে। পৃথিবী থেকে এটি ৩২৪ আলোকবর্ষ দূরে। 
এ বিষয়ে সেন্ট ম্যারিস ইউনিভার্সিটির গবেষক ড্যান উইলকিনস বলেন, ‘এ বিষয়টি আমাদের বুঝতে সহায়তা করবে যে, কিভাবে বিশাল ব্ল্যাক হোলগুলো মহাবিশ্বের সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তুর শক্তি যোগায়। ’
এ বিষয়ে সুন্সারের প্রধান তদন্তকারী ফিয়োনা হ্যারিসন বলেন, এ এনার্জির উৎস সত্যিই রহস্যময়। 
নাসা ব্ল্যাক হোলের একটি কম্পিউটার জেনারেটেড ছবিও প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে ব্ল্যাক হোলের চারপাশে আবর্তন করছে এক্স রে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.