গোল করার অপরাধে ‘করজোড়ে’ ক্ষমা চাইলেন। প্রথমে মুনির এল হাদ্দাদি। এরপর আন্দ্রে গোমেজ। মুনির বার্সার আঁতুড়ঘরের ছেলে। এখন খেলেন ভ্যালেন্সিয়ায়। আর গত বছরই ভ্যালেন্সিয়া থেকে বার্সায় নাম লিখিয়েছেন গোমেজ। কাল দুজনই নিজ নিজ সাবেক দলের বিপক্ষে গোল করলেন। ক্ষমাও চাইলেন। বার্সা অবশ্য ভ্যালেন্সিয়াকে ক্ষমা করেনি। হারিয়েছে ৪-২ গোলে।
ভ্যালেন্সিয়াই কাল ভয় পাইয়ে দিয়েছিল বার্সাকে। ২৯ মিনিটে মানগালার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ভ্যালেন্সিয়াই। ৩৫ মিনিটে সুয়ারেজের গোলে সমতা। বার্সার মাঠে শুরুতেই আলোচনার আলো টেনে নেওয়া মানগালা এবার ‌‘খলনায়ক’। সুয়ারেজকে বক্সে ফাউল করে নিজে লাল কার্ড দেখলেন, বার্সাকে পেনাল্টিও এনে দিলেন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে পেনাল্টি থেকে ২-১ করে ফেললেও মাত্র কয়েক সেকেন্ডে পাল্টা আক্রমণ থেকে মুনিরের সমতা ফেরানো।
১০ জনের দল নিয়ে বার্সার সঙ্গে দ্বিতীয়ার্ধে আর পেরে ওঠেনি ভ্যালেন্সিয়া। ৫২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ডান প্রান্ত থেকে দুরূহ কোণ থেকে মেসির ডান পায়ের দুর্দান্ত শট করে ফেলল ৩-২। শেষ মুহূর্তের যেকোনো একটা পাল্টা আক্রমণ থেকে ভ্যালেন্সিয়া ৩-৩ করে ফেলতেই পারত। তবে গোমেজ আর সুযোগ দিলেন না। ৮৯ মিনিটে করে ফেললেন ৪-২।


মেসি কাল জোড়া গোল করে এই মৌসুমে ৪০ গোল পূর্ণ করেছেন। টানা আট বছর ধরে এক মৌসুমে কমপক্ষে ৪০ গোল করার কীর্তি। ক্যারিয়ারে এ নিয়ে শততমবার জোড়া গোলও করলেন। কাল ডিফেন্ডারদের জটলার মধ্যে তাঁর বল নিয়ে কারিকুরি সেই ২০১০-এর মেসিকে মনে করিয়ে দিল অনেকবার। তবে ম্যাচের আরেক নায়ক কিন্তু নেইমার, স্কোরলাইন যে একটা ম্যাচ নিয়ে কতটা মিথ্যা বলে, এর প্রমাণ কালকের নেইমার।


কর্নার থেকে আচমকা গোল খেয়ে বার্সাকে যখন মনে হচ্ছে ছন্নছাড়া, আগের ম্যাচে লা করুনিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়া আর রিয়ালকে নাগালের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার চাপ যখন সিনবাদের ভূত হয়ে চেপেছে, তখনই নেইমারের দুর্দান্ত লম্বা থ্রো ইন (থ্রো ইনই) সুয়ারেজকে গোল করিয়েছে। নেইমার তা ভাবতে পেরেছিলেন বলে। ৩-৩ সমতা ফেরানোর শঙ্কা দূর করা গোমেজের গোলটির অর্ধেক অবদান বাঁ উইংয়ে তাঁর দুর্দান্ত গতি, সেখান থেকে ক্রস। পিএসজি ম্যাচের অনেক মুহূর্তই নেইমার মনে করিয়ে দিয়েছেন কাল। এর মধ্যে সেই ম্যাচের দুর্দান্ত ফ্রি কিকটির ছায়াও ছিল। বক্সের বাঁ কোণ থেকে নেওয়া ফ্রি কিকটি গোলপোস্টের বাঁ কোণে লেগে ফিরে গেছে। গোলটাই শুধু নেইমার পাননি।


তবে বার্সা পুরো ৩ পয়েন্ট পেয়েছে ‌‘আন্তর্জাতিক বিরতি’তে যাওয়ার আগে। ২৭ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট ৬৫, ২৮ ম্যাচে বার্সার ৬৩।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.