মাটির নিচে চিরহিমায়িত একটা জায়গা। সেখানেই বীজ সংরক্ষণাগারটির অবস্থান। উত্তর মেরুর একটি দ্বীপে ১০ বছর আগে একদল বিজ্ঞানী এটি স্থাপন করেছিলেন। তাঁরা সারা বিশ্ব থেকে সংগৃহীত প্রায় ৫০ হাজার নতুন বীজের নমুনা সম্প্রতি সেখানে রেখেছেন।
যুদ্ধবিগ্রহ বা ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিশ্বের সব শস্যবীজ যদি নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়, মানবজাতির অস্তিত্বই তো ঝুঁকির মুখোমুখি হবে। এ ধরনের আশঙ্কা থেকেই ওই বিশেষজ্ঞরা দ্য ভালবার্ড গ্লোবাল সিড ভল্ট গড়েছেন। তাঁরা সেখানে বিভিন্ন শস্যবীজের জিনের নমুনা সংরক্ষণ করছেন। জায়গাটা সুমেরু থেকে প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ, নরওয়ের মূল ভূখণ্ড এবং উত্তর মেরুর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত। বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, বিশ্বের অন্যান্য বীজ সংরক্ষণাগারের সহায়ক শেষ সুরক্ষা হিসেবে এটি কাজ করবে।
সর্বশেষ বীজের নমুনাগুলোর মধ্যে অন্তত ১৫ হাজার পুনর্গঠিত বীজ রয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাগ্রিকালচারাল রিসার্চের প্রধান আলি আবুসাবা গত বৃহস্পতিবার বলেন, নতুন বীজের নমুনাগুলো সংরক্ষণের মাধ্যমে তাঁরা একটি বড় সাফল্য অর্জন করেছেন। এটা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নানা বাধা মোকাবিলায় সহায়ক হবে। পুনর্গঠিত বীজগুলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে উন্নয়নশীল ও জলবায়ুসহিষ্ণু শস্য দিতে পারবে। 
মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা মাথায় রেখে স্থাপিত সুমেরুর ওই বীজগুদামে সর্বশেষ সংরক্ষিত নমুনাগুলো বেনিন, ভারত, পাকিস্তান, লেবানন, মরক্কো, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, বেলারুশ এবং যুক্তরাজ্য থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই গুদামে মোট মজুতের পরিমাণ ৯ লাখ ৪০ হাজারে পৌঁছেছে। সংরক্ষণাগারটির ধারণক্ষমতা ৪৫ লাখ।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.