মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেমস ম্যাটিস বলেছেন, ইরাকের খনিজ তেলের মজুত বাগিয়ে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। গতকাল সোমবার বাগদাদে পৌঁছে তিনি এ কথা বলেন।

ইরাকের তেল নেওয়ার ইচ্ছা নেই

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় বলেছিলেন, ইসলামিক স্টেটের (আইএস) হাতে পড়া থেকে ঠেকাতে ইরাকের তেল দখল করা উচিত। বিজয়ী হওয়ার পরও এ ধরনের বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন তিনি। এ বিষয়টি নিয়ে সংশয় প্রশমনে তাই গতকাল ইরাকে পৌঁছেই মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী সাবেক জেনারেল ম্যাটিস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে আমরা সবাই তেল ও গ্যাসের জন্য দাম পরিশোধ করি। আমি নিশ্চিত যে আমরা ভবিষ্যতেও তা করব। আমরা ইরাকের তেল লুট করার জন্য বসে নেই।’
গত মাসে সিআইএ সদর দপ্তরে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ভূখণ্ডের দাবিদার হয় জয়ীরাই। তাঁর মতে, পূর্বসূরি বারাক ওবামার আমলে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর সেখানকার তেলও যুক্তরাষ্ট্রের দখলে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। সে সময়ে কোনো বিশদ ব্যাখ্যা না দিয়ে ট্রাম্প আরও বলেছিলেন, ‘আমরা হয়তো আরেকটি সুযোগ পাব।’
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরাকের তেল দুটি কারণে দখল করা উচিত। একটি হলো জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসকে তেলের আয় থেকে বঞ্চিত করতে এবং আরেকটি কারণ হলো ইরাক যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের হওয়া খরচ তুলে নিতে।
ইরাকের সরকারি বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ মসুল শহরের পশ্চিমাঞ্চল আইএসের কাছ থেকে পুনর্দখলের পথে, এমন সময় মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দেশটি সফরে গেলেন। এ সফরে পেন্টাগন প্রধান জেমস ম্যাটিসের ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরফান আল-হায়ালির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
জেম ম্যাটিস অবসরপ্রাপ্ত মেরিন জেনারেল। যুক্তরাষ্ট্রের ২০০৩ সালের ইরাক অভিযানের সময় সেখানে নিয়োজিত ছিলেন তিনি।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.