সাতক্ষীরার শ্যামনগরের বংশীপুরের এক ইটভাটায় কিশোর ইসরাফিলকে (১৫) পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে মামলাও দায়ের করেন।  


তবে মঙ্গলবার রাতে শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া গ্রামের আব্দুস ছামাদের বাড়ি থেকে তাকে জীবন্ত উদ্ধার করে শ্রীপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় ইসরাফিলকে পুড়িয়ে মারার মামলার বাদীর ছোট বোন মরিয়ম আক্তার সাথী (৪০) ও কন্যা মর্জিনাকে (২৬) আটক করেছে পুলিশ।

শ্রীপুর থানার এসআই আবুল হাসান জানান, শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া গ্রামের আব্দুছ ছামাদের বাড়ির ভাড়াটিয়া মরিয়ম ও মর্জিনার বাসা থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভিকটিম ইসরাফিলকে উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার তারানিপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ তার ছেলে ইসরাফিলকে অপহরণের পর ইট ভাটায় পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে ১৪ ফেব্রুয়ারি মামলা করেন। এ মামলায় পৈইখালি ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম, তার বড় ভাই শেখ আব্দুর রহমানসহ ৮ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়।

বাদীর অভিযোগ, ব্যবসায়িক পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম ও তার সহযোগিরা ২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইসরাফিলকে অপহরণ করে ভারতে পাচার কিংবা জ্বলন্ত ইট ভাটার মধ্যে ফেলে হত্যা করেছে।

মামলার বাদী আব্দুল মজিদ জানান, তার ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পর তিনি শ্যামনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ তার মামলা গ্রহণ করেনি। পরে আদালতে মামলা করেন তিনি। 

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.