জিয়া অরফানেজ এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালত থেকে চলতি সপ্তাহেই গ্রেফতার হতে পারেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। 

গ্রেফতার হচ্ছেন খালেদা জিয়া? দিনক্ষনও চুড়ান্ত প্রায়!

খালেদাকে গ্রেফতারের বিষয়ে পুলিশকেও প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে।

জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে গত বৃহস্পতিবার বিশেষ আদালতে যাননি না খালেদা জিয়া। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি বৃহস্পতিবার হাজিরা দিতে আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

ঢাকার বকশীবাজারের আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদ্দারের আদালতে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাফাই সাক্ষীর দিন এবং জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের অসমাপ্ত বক্তব্য দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছিল। জানা গেছে আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য শেষ হলেই তাকে কারাগার থেকে জেলখানায় নেওয়া হতে পারে।

এমনকি গোয়েন্দা সংস্থাদের একটি দায়িত্বশীল সূত্র আরো জানিয়েছে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে সেলটি বিশেষভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এর আগে থেকেই খালেদা জিয়া জেলে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা করছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। কারাগারে যেতে হলে তাকে ‘সাময়িক’রাজনীতি থেকেও দূরে থাকতে হতে পারে। সে সময় বিএনপি কার নেতৃত্বে চলবে- এ নিয়ে দলের ওপর মহলে চলছে অ-প্রকাশ্য আলোচনা।

দলের অন্দরমহলের সূত্র থেকে জানা গেছে, ‘আপদকালীন’ সেই সময় ৩ বা ৫ সদস্যের একটি কমিটিকে দল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে, যারা সমন্বিতভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে কারো কারো পরামর্শ- পরিস্থিতি মোকাবিলায় দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমানের নেতৃত্বে ওই কমিটি কাজ করুক। কারণ জিয়া পরিবারের কেউ নেতৃত্বে না থাকলে সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে বিভক্তির আশঙ্কা রয়েছে। তবে জোবাইদা রহমান নেতৃত্বে আসতে ‘আগ্রহী নন’ বলে একটি সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে পরামর্শ করতে সম্প্রতি বিএনপি সমর্থক এক বুদ্ধিজীবীর বাসায় দলের কয়েকজন নেতা ও থিঙ্কট্যাংকের কয়েক সদস্য বৈঠক করেছেন। সেখানে তিন সদস্যের একটি ‘আপদকালীন’ কমিটি করার পক্ষে মত আসে। জোবাইদা রহমানের প্রসঙ্গ নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ কয়েক নেতা বিষয়টি নিয়ে বিশদ আলোচনা করেছেন।

ওই সূত্রে জানা যায়, স্থায়ী কমিটির তিনজন সদস্য, একজন ভাইস চেয়ারম্যান, একজন উপদেষ্টা কিংবা প্রভাবশালী একজন যুগ্ম মহাসচিবের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্যের ‘আপদকালীন’ওই কমিটি করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। অবশ্য কেউ কেউ পরমার্শ দিয়েছেন তিন স্তরের কমিটি করতে; যাতে ওই সময় আন্দোলন হলে এবং কেউ গ্রেফতার হলে বিকল্প কাউকে তার স্থলাভিষিক্ত করা যায়।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.