নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে প্রতিবছরই। গত বছর চাল, ডাল, চিনি, সয়াবিন, ছোলা, রসুন, মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের মসলার দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। গতকাল পর্যন্ত অত্যাবশ্যক এসব ভোগ্য-পণ্যের দাম বৃদ্ধির হার ৭২.৭৩ শতাংশ।


টিসিবি’র হিসেবে বিগত এক বছরে লবণের দাম বেড়েছে ৪৬.৫১ শতাংশ। একই সঙ্গে চিনির দাম বেড়েছে ৪৩.০১ শতাংশ।
দাম বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় গত এক বছরে মোটা চালের দাম বেড়েছে ১০.৬১ শতাংশ। টিসিবি’র প্রকাশিত ২০১৬ সালের ১৩ই জানুয়ারি এবং ২০১৭ সালের ১৩ই জানুয়ারি নিত্যপণ্যের মূল্যের তুলনামূলক চিত্রে মূল্যবৃদ্ধির এ তথ্য পাওয়া গেছে।

টিসিবি’র হিসেবে গত এক বছরে সবধরনের সরু চালের দাম বেড়েছে। মানভেদে সরু চাল ২০১৬ সালের এই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৪২ থেকে ৫৪ টাকা করে। গতকাল পর্যন্ত বিভিন্ন মানের সরু চাল বিক্রি হয়েছে ৪৪ থেকে ৫৬ টাকা। একবছরে সরু চালের দাম বেড়েছে ৪.৭ শতাংশ। এর মধ্যে সাধারণ মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল গত বছর একই সময়ে প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৪২ থেকে ৪৮ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৮ টাকা করে। গত এক বছরে এই চালের মূল্য বৃদ্ধির হার ২.২২ শতাংশ। উন্নত মানের নাজিরশাইল ও মিনিকেট বিগত বছরের এই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৪৮ টাকা থেকে ৫৪ টাকা। নতুন বছরের শুরুতে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫৬ টাকা।

এক বছরে এই চালের দাম বেড়েছে ১.৯৬ শতাংশ। এ ছাড়া মাঝারি মানের বিভিন্ন চাল গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৪৪ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে। গত এক বছরে এই চালের দাম বেড়েছে ১.১৯ টাকা। পাইজাম/লতা উন্নত মানের চাল ২০১৬ সালের এই সময়ে বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ৪২ থেকে ৪৪ টাকা। গতকাল তা বিক্রি হয়েছে ৪২ থেকে ৪৫ টাকা। গত বছরের তুলনায় এ চালের দাম বেড়েছে ১.১৬ শতাংশ। টিসিবি’র হিসেবে গত এক বছরের তুলনায় সবচেয়ে বেশি বেড়েছে সব ধরনের মোটা চালের দাম। ২০১৬ সালের এই সময়ে সব ধরনের মোটা চাল প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ৩২ টাকা থেকে ৩৪ টাকা করে। গতকাল পর্যন্ত সবধরনের মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা। বিগত একবছরে মোটা চালের দাম বৃদ্ধির হার ১০.৬১ শতাংশ।

টিসিবি’র পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত এক বছরে চিনির দাম বেড়েছে অস্বাভাবিক হারে। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে ২০১৬ সালের একই সময়ে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। নতুন বছরের একই সময়ে তা বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৬৮ টাকা। এক বছরে চিনির মূল্য বৃদ্ধির হার ৪৩.০১ শতাংশ। এছাড়া বিভিন্ন মানের আয়োডিনযুক্ত প্যাকেট লবণের দামও গত এক বছরে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে। ২০১৬ সালের এই সময়ে আয়োডিনযুক্ত প্যাকেট লবণ প্রতিকেজি বিক্রি হয়েছে ১৫ থেকে ২৮ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩৮ টাকা করে। অর্থাৎ প্রতিদিনের অত্যাবশ্যক এই ভোগ্যপণ্যের মূল্য গত এক বছরে বেড়েছে ৪৬.৫১ শতাংশ।

বিগত এক বছরে সব ধরনের ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে খোলা পাম তেলের দাম বেড়েছে অস্বাভাবিকহারে। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিগত বছরের একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৮৫ থেকে ৮৮ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৮৮ থেকে ৯০ টাকা। এক বছরে খোলা সয়াবিনের দাম বেড়েছে ২.৮৯ শতাংশ। এছাড়া ৫ লিটার সয়াবিনের তেলের প্রতিটি বোতল ২০১৬ সালের এই সময়ে ৪৫০ থেকে ৪৮০ টাকা বিক্রি হলেও নতুন বছরের একই সময়ে তা বিক্রি হচ্ছে ৪৬৫ থেকে ৫০০ টাকা করে। দাম বৃদ্ধির হার ৩.৭৬ শতাংশ। এছাড়া সয়াবিন তেলের প্রতিটি ১ লিটার বোতল বিক্রি হয়েছিল ৯৫ থেকে ১০২ টাকা। বর্তমানে তা বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ১০২ টাকা করে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.