আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৭৫ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মধ্যদিয়ে এদেশে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয়। অবৈধ ক্ষমতা দখলকারীরা যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে দেয়।


'ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে '

 মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগের জনসভায় এ কথা বলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পঁচাত্তরের পর যারা ক্ষমতায় এসেছে, তারা কখনো জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে দিতে চায়নি। কারণ তাদের দেহ এ দেশে থাকলেও মন পড়ে থাকত পাকিস্তানে।'

শেখ হাসিনা বলেন, যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ যখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যাে করা হয়। 

এর আগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে উপস্থিত হন। 

আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, ১০ জানুয়ারি বাঙালির জীবনে একটি ঐতিহাসিক দিন। এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাধারণ মানুষ অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে যে নির্দেশ জাতির পিতা দিতেন, বাঙালিরা সেই নির্দেশ মেনে নিতেন।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, 'পাকিস্তান হানাদার বাহিনী জাতির পিতাকে গ্রেফতার করে হত্যা করতে চেয়েছিল। কিন্তু জনগণের চাপে তাকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছিল তারা। পরে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু মুক্তি পেয়ে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসেছিলেন।

এর আগে দুপুর আড়াইটায় সমাবেশ শুরু হয়। বেলা ১২টার আগে থেকেই খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে ছিল নানা রঙ-বেরঙের দলীয় ব্যানার-ফেস্টুন। বেলা ২টার মধ্যেই পুরো সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিপূর্ণ হয়ে উঠে নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে।

এ সময় সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে স্লোগান দেয় তারা। এদিকে জনসভার নিরাপত্তায় সভাস্থল ও এর আশপাশে বিশেষ ব্যবস্থা নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.