নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ কী ধরনের পদক্ষেপ ও সিদ্ধান্ত নেবেন, সে অপেক্ষায় রয়েছে বিএনপি।


বিএনপি রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়

 বুধবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ইসি গঠনে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। কারণ চলমান রাজনৈতিক সংকট সমাধান করতেই হবে।

অন্যদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে বিএনপির পক্ষ থেকে ১৩ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এখন রাষ্ট্রপতি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছি।

বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, 'রাষ্ট্রপতির আন্তরিকতা থাকলে বর্তমান সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন করতে পারেন। আমরা অপেক্ষা করছি, তিনি কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। কারণ রাষ্ট্রপ্রতি আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। সুতরাং নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্মসূচি।'

এক প্রশ্নের জবাবে রিজভী বলেন, 'রাষ্ট্রপতি যদি চান, তাহলে সংলাপ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা রাজনৈতিক সমস্যার সমাধান করব।'

তিনি বলেন, 'আমরা কর্মসূচিতেই রয়েছি। আমাদের প্রতিবাদ, মিছিল এবং কথা বলাও আন্দোলনের অংশ।'

রিজভী আরও বলেন, 'ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির আশাবাদের বাস্তব প্রতিফলন ঘটলে দেশের মানুষ সেটিকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে স্বাগত জানাবে। বিএনপিও দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল হিসেবে সেটিকে স্বাগত জানাবে।'

এদিকে একই দিনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে যুব জাগপা আয়োজিত 'মুক্তি আসে কোন পথে— সংগ্রাম ও রাজপথে' শীর্ষক আলোচনা সভায় আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে বিএনপি মুক্ত আলোচনার পথ খুলে দিয়েছে। এ সংকট আলোচনা ও সংলাপের মধ্য দিয়েই সমাধান করতে হবে। অন্যথায় রাজনীতি উগ্রবাদীদের হাতে চলে যাবে। আর এটা হবে দেশ ও রাজনীতিবিদদের জন্য খারাপ। এটা হলে আওয়ামী লীগকেই এর দায়ভার নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি পজিটিভ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে আর আওয়ামী লীগ নেগেটিভ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। এ কারণে তারা পজিটিভ রাজনীতিতে ভয় পাচ্ছে। নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি থেকে আওয়ামী লীগ সরে এসেছে। সুতরাং আওয়ামী লীগে যারা গণতন্ত্র ও রাজনীতিতে বিশ্বাস করে, তারা খারাপ অবস্থার মধ্যে রয়েছে।

আমীর খসরু বলেন, ৫ জানুয়ারি ঘনিয়ে এলে আওয়ামী লীগ দুর্বল হয়ে পড়ে। এ ছাড়া 'গণতন্ত্র হত্যা দিবসে' বিএনপিকে সমাবেশ করতে দিলে লাখো লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসবে। এ কারণে বিএনপিকে সমাবেশের অনুমতি দিতে তাদের এত ভয়।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.