গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাণিজ্যিক খামারের একটি আখক্ষেতে শনিবার দুপুরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে আধঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


আখক্ষেতে আগুন



রংপুর চিনিকলের যে ১ হাজার ৮৪২ একর জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাঁওতালপল্লিতে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সেই জমিরই একটি প্লটের আখখেতে এই আগুন লাগার ঘটনা ঘটল।


রংপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আউয়াল আজ বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে মুঠোফোনে বলেন, বেলা দেড়টার দিকে খামারের ফকিরগঞ্জ এলাকার ১১ নম্বর ব্লকের জমিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। তিনি দাবি করেন, আগুনে খামারের প্রায় ২১ বিঘা জমির আখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আগুন লাগার তদন্ত করে দেখা হবে।


এদিকে আজ বিকেলে চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আউয়াল ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল হান্নান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পরে ইউএনও বলেন, আগুন লাগার ঘটনা চিনিকল কর্তৃপক্ষ তদন্ত করবে।


উল্লেখ্য, ওই এলাকায় মাদারপুর, বড় জয়পুর, ছোট জয়পুর—এই তিনটি গ্রামে প্রায় সাড়ে বারো শ সাঁওতাল পরিবারের বাস। সাঁওতালপল্লির পূর্ব পাশে রংপুর চিনিকলের ১ হাজার ৮৪২ একরের সাহেবগঞ্জ আখের খামার। মাঝখানে শুধু মেটে রাস্তা। খামারের জমিগুলো ১৯৬২ সালে অধিগ্রহণ করা হয়। এর সিংহভাগ ছিল সাঁওতাল এবং অল্প কিছু আশপাশের মুসলিম ও হিন্দু পরিবারের। এখন সব জমিতে আর আখ চাষ হয় না। 


এই জমি ফেরত চেয়ে সাঁওতালরা ২০১২ সাল থেকে আন্দোলন করছে। বেশ কয়েকবার এখানে ঘরও তোলা হয়েছিল। সেসব ঘর মিল কর্তৃপক্ষ ভেঙে দেয়। চলতি বছরের গত ১ জুলাই সাঁওতালরা হরিণমারি, সাহেবগঞ্জ, মাদারপুর ও কুয়ামারা মৌজায় দুই শতাধিক একচালা ঘর তৈরি করে বসবাস শুরু করে। ৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় চিনিকল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক পুলিশ-র‍্যাব উচ্ছেদে অংশ নেয়। এতে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের তিনজন মারা যায়।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.