আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে এবার নতুন মুখের ছড়াছড়ি। সেইসঙ্গে নারীর সংখ্যাও আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। এই কমিটিতে সম্পাদকমণ্ডলী ও কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য পদ থেকে দু'জন ছাড়া মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সবাই বাদ পড়েছেন। অন্যদিকে কয়েকজনকে বাদ দেওয়া হলেও খুব বেশি পরিবর্তন আসেনি দলের উপদেষ্টা পরিষদে


গতকাল শনিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত দলের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তালিকা বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে। অবশ্য কমিটিতে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাতটি এবং উপদেষ্টা পরিষদের তিনটি পদ এখনও ফাঁকা রাখা হয়েছে। এই কমিটি প্রকাশের মাধ্যমে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী দলের জাতীয় সম্মেলনের এক সপ্তাহের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি পূরণ হলো।






এদিকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার পর গতকাল রাতেই এই কমিটির নেতারা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে গিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছেন। এ সময় সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের দিকনির্দেশনা দেন শেখ হাসিনা।


এর আগে গত ২৩ অক্টোবর দলের জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত এবং সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা ওই দিনই সভাপতিমণ্ডলীর ১৬ জন সদস্য (পদাধিকারবলে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এই পরিষদের সদস্য), চারজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং কোষাধ্যক্ষের নামও ঘোষণা করেন। এর দু'দিন পর ওবায়দুল কাদের ২৯ সদস্যের বিষয়ভিত্তিক সম্পাদকমণ্ডলীর ২২ জনের নাম ঘোষণা করেন। শুক্রবার দলের নবনির্বাচিত সভাপতিমণ্ডলীর বৈঠকে কয়েকটি পদ বাকি রেখে ৮১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ এবং ৪১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ চূড়ান্ত করা হয়।


গতকাল দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের পূর্ণাঙ্গ কমিটির বাকি থাকা সম্পাদকমণ্ডলীর দু'জন এবং ২৮ জন কার্যনির্বাহী সদস্যের নাম প্রকাশ করা হয়। এ ছাড়া ৪১ সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদের মধ্যে তিনটি ফাঁকা রেখে ৩৮ এবং ১১ সদস্যের সংসদীয় বোর্ড ও ১৯ সদস্যের স্থানীয় সরকার/ইউনিয়ন পরিষদ মনোনয়ন বোর্ড সদস্যের নামও প্রকাশ করা হয়। যদিও ওই দুটি বোর্ড সদস্যদের নাম দলের জাতীয় সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনেই ঘোষণা করা হয়েছিল।


নতুন কার্যনির্বাহী সংসদে ২৮ সদস্যের মধ্যে ১৮টিতেই এসেছে নতুন মুখ। তাদের বেশিরভাগই ছাত্রলীগের সাবেক নেতা। এখানে তৃণমূল নেতাদের মধ্যেও কয়েকজনকে স্থান দেওয়া হয়েছে। সম্পাদকমণ্ডলীতে নতুন মুখ এসেছে চারটি।


সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে নতুন মুখ হিসেবে বন ও পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দেলোয়ার হোসেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক লীগের সর্বশেষ সাংগঠনিক সম্পাদক। বিদায়ী কার্যনির্বাহী সংসদ সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন এবার পেয়েছেন উপ-প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব। এর আগে ২৫ অক্টোবর ঘোষিত সম্পাদকমণ্ডলীর ২২ সদস্যের মধ্যেও নতুন মুখ ছিলেন তিনজন।


কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নতুন ১৮ জন হচ্ছেন দলের বগুড়া জেলা সভাপতি মমতাজ উদ্দিন, খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, রাজশাহীর নুরুল ইসলাম ঠাণ্ডু, দলের রাঙামাটি জেলা সভাপতি দীপঙ্কর তালুকদার, সিলেট মহানগর সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বার কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, আমিরুল ইসলাম মিলন, মৌলভীবাজারের অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির বিদায়ী সহসম্পাদক গোলাম রব্বানী চিনু, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, মারুফা আখতার পপি ও ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ূয়া, পারভীন জামান কল্পনা, মেরিনা জাহান, ড. শাম্মী আহম্মেদ এবং নেত্রকোনার উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং।


দলের সভাপতিমণ্ডলী থেকে বাদ পড়া সতীশ চন্দ্র রায়ের স্থান হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদে, যিনি হলেন এই পরিষদের নতুন সদস্য। উপদেষ্টা পরিষদে নতুন হিসেবে আরও যুক্ত হয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, সাবেক সচিব রশিদুল আলম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, মকবুল হোসেন এবং চৌধুরী খালেকুজ্জামান।


যারা বাদ পড়লেন: বিদায়ী কার্যনির্বাহী সংসদে সদস্য হিসেবে ছিলেন এমন পাঁচজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী নতুন কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন। তারা হলেন ধর্মমন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এবং ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়াও এই পদে বাদ পড়েছেন। তবে সদস্য পদে টিকে গেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম এবং বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।


এ ছাড়া সদস্য পদে বাদ পড়েছেন দলের নড়াইল জেলা সভাপতি ও জেলা প্রশাসক সুবাস চন্দ্র বোস, বরগুনা জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি, মোস্তফা ফারুক মোহাম্মদ এমপি এবং অ্যাডভোকেট মমতাজউদ্দিন মেহেদী। সদস্য পদে বাদ পড়া এ কে এম রহমতউল্লাহ এমপি অবশ্য আগেই ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়েছেন।


এর আগেও সম্পাদকমণ্ডলীর বিভিন্ন পদ থেকে বাদ পড়েছিলেন আরও তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী। তারা হলেন অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক পদ থেকে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল), সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক পদ থেকে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং। এ নিয়ে আটজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে বাদ পড়লেন।


এ ছাড়া উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল (অব.) কেএম সফিউল্লাহ বীরউত্তম।


পদোন্নতি ও রদবদল: বিদায়ী কমিটির সম্পাদকমণ্ডলী ও কার্যনির্বাহী সংসদের কয়েকজন সদস্য আগেই পদোন্নতি পেয়ে সভাপতিমণ্ডলী কিংবা সম্পাদকমণ্ডলীতে স্থান করে নিয়েছিলেন। তারা হলেন_ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান ও অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক টিপু মুনশি, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এবং সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল।


গতকাল প্রকাশিত নতুন উপদেষ্টা পরিষদে স্থান পেয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। বিদায়ী কমিটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক থেকে পদোন্নতি পেয়ে তিনি উপদেষ্টা পরিষদে গেলেন। বিদায়ী কার্যনির্বাহী সদস্য আমিনুল ইসলাম আমিন হয়েছেন নতুন কমিটির উপ-প্রচার সম্পাদক। অন্যদিকে সম্পাদকমণ্ডলীতে থাকা ফরিদুন্নাহার লাইলীর পদ রদবদল হয়েছে। বিদায়ী কমিটির ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক লাইলী নতুন কমিটিতে কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন।


এখনও শূন্য সাত পদ: তিন দফায় ঘোষণার পরও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাতটি পদ ফাঁকা রয়েছে। এগুলো হলো সভাপতিমণ্ডলীর তিনটি সদস্যসহ আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক, যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং উপ-দপ্তর সম্পাদক।


নারীর সংখ্যা বেড়েছে: বিদায়ী কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের তুলনায় এবারের কমিটিতে নারীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। গত কমিটিতে ছিলেন নয়জন নারী নেতা। এবার যুক্ত হয়েছেন ১৪ জন। নির্বাচন কমিশনের রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ নারীকে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ হিসাবে এবার আওয়ামী লীগের কমিটিতে নারী নেতার সংখ্যা বৃদ্ধিকে (এখন পর্যন্ত ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশ) ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


ফরিদপুরের গুরুত্ব, বরিশাল পিছিয়ে: নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে নেতা নির্বাচনের বেলায় বৃহত্তর ফরিদপুরকে গুরুত্ব দেওয়া হলেও বরিশাল অঞ্চল কিছুটা অবহেলার শিকার হয়েছে। নতুন কমিটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, দলীয় সভাপতিসহ বৃহত্তর ফরিদপুর থেকে স্থান পেয়েছেন কমপক্ষে ১৪ জন নেতা। তবে বরিশাল অঞ্চল থেকে ঠাঁই পেয়েছেন মাত্র দু'জন। অন্যান্য অঞ্চল থেকে নেতা নির্বাচনের বেলায় এমন বৈষম্য দেখা যায়নি। এ নিয়ে কিছুটা ক্ষোভও দেখা দিয়েছে বরিশাল অঞ্চলের নেতাকর্মীদের মধ্যে।


পূর্ণাঙ্গ কমিটি

উপদেষ্টা পরিষদ: ডা. এস এ মালেক, আবুল মাল আবদুল মুহিত, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, ইসহাক মিয়া, অ্যাডভোকেট রহমত আলী, এইচটি ইমাম, ড. মসিউর রহমান, অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, রাজীউদ্দিন আহমেদ রাজু, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, সৈয়দ আবু নসর অ্যাডভোকেট, সতীশ চন্দ্র রায়, অধ্যাপক ড. আবদুল খালেক, অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক, কাজী আকরাম উদ্দীন আহমেদ, অ্যাডভোকেট সৈয়দ রেজাউর রহমান, ড. অনুপম সেন, অধ্যাপক ড. হামিদা বানু, অধ্যাপক ড. হোসেন মনসুর, অধ্যাপক সুলতানা শফি, এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সী, অ্যাম্বাসাডর মোহাম্মদ জমির, গোলাম মওলা নকশাবন্দি, ড. মির্জা এমএ জলিল, ড. প্রণব কুমার বড়ূয়া, মেজর জেনারেল (অব.) আবদুল হাফিজ মলি্লক, অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান খান, ড. গওহর রিজভী, অধ্যাপক খন্দকার বজলুল হক, রশিদুল আলম, স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, কাজী সিরাজুল ইসলাম, মকবুল হোসেন ও চৌধুরী খালেকুজ্জামান।


কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ: সভাপতি- শেখ হাসিনা, সভাপতিম লীর সদস্য- সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মোহাম্মদ নাসিম, কাজী জাফর উল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন, ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য্য, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, রমেশ চন্দ্র সেন ও অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান; সাধারণ সম্পাদক- ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আবদুর রহমান; কোষাধ্যক্ষ এইচ এন আশিকুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক সম্পাদক টিপু মুনশি, আইনবিষয়ক সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, মহিলাবিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, শিক্ষা ও মানবসম্পদবিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক আবদুছ ছাত্তার, শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, বি এম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী (নওফেল), উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন; সদস্য- আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, মমতাজ উদ্দিন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, কামরুল ইসলাম, নুরুল মজিদ হুমায়ুন, এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, সিমিন হোসেন রিমি, মন্নুজান সুফিয়ান, নুরুল ইসলাম ঠা ু, র আ ম উবায়দুল মোক্তাদির চৌধুরী, দীপঙ্কর তালুকদার, বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, আক্তারুজ্জামান, এস এম কামাল হোসেন, মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, আমিরুল ইসলাম মিলন, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, গোলাম কবির রব্বানী চিনু, অ্যাডভোকেট রিয়াজুল কবির কাওসার, পারভীন জামান কল্পনা, আনোয়ার হোসেন, ইকবাল হোসেন অপু, মেরিনা জাহান, ড. শাম্মী আহমেদ, মারুফা আখতার পপি, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও উপাধ্যক্ষ রেমন্ড আরেং।


সংসদীয় বোর্ড: দলের সংসদীয় বোর্ডের সদস্য ১১ জন। তারা হলেন- শেখ হাসিনা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, কাজী জাফর উল্লাহ, ওবায়দুল কাদের, অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন আহমেদ ও রশিদুল আলম।


স্থানীয় সরকার/পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ মনোনয়ন বোর্ড :১৯ সদস্যবিশিষ্ট এই বোর্ডে রয়েছেন শেখ হাসিনা, সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, কাজী জাফর উল্লাহ, মোহাম্মদ নাসিম, ড. আবদুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, ওবায়দুল কাদের, অধ্যাপক ড. আলাউদ্দিন আহমেদ, রশিদুল আলম, মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক ও ড. আবদুস সোবহান গোলাপ।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.