১২০০ থেকে সারাদেশে সিনেমা হলের সংখ্যা নেমে এসেছে ৩১৪-তে। সে সংখ্যা আরো কমছে। বন্ধ প্রেক্ষাগৃহের তালিকায় এবার যুক্ত হচ্ছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী আজাদ সিনেমা হল। 



মাস দুয়েকের মাঝে হলটি ভাঙা কাজ শুরু হবে বলে জানালেন, হলটির তত্ত্বাবধায়ক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মিয়া আলাউদ্দিন। বন্ধ করে দেওয়ার কারণ হিসেবে আলাউদ্দিন বলেন, ‘হলের ব্যবসা কই? শুক্রবার ছাড়া হলে দর্শক আসে না। তাছাড়া বছরে দু-তিনটা ব্যতীত দর্শক টানার মতো ছবিও কিন্তু নির্মাণ হচ্ছে না।’

উপমহাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে থাকা হলটি ভেঙ্গে মার্কেট করার পরিকল্পনা নিয়েছেন বর্তমান মালিক। অথচ এ হলেই উদ্বোধনী প্রদর্শিত হয় ঢাকায় নির্মিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নির্বাক চলচ্চিত্র ‘দ্য লাস্ট কিস’ (১৯৩১) ও প্রথম সবাক সিনেমা ‘মুখ ও মুখোশ’ (১৯৫৬) এর। হলটির ঐতিহাসিক অবদানে নজর নেই কারো।
এখন তো দর্শক আগের তুলনায় একটু বেশি হলে যাচ্ছে। আবার পরিবেশের কারণে অনেক দর্শক আগ্রহী হচ্ছেন না। এ কথায় তার গলায় শোনা গেল পুরনো সুর— ‘আমার আয় না হলে কেন বিনিয়োগ করব?’ আরো জানালেন, হালের প্রথা অনুসারে নতুন মার্কেটে সিনেপ্লেক্স রাখার আপাতত: কোনো পরিকল্পনা নেই।

১৯২৫ সালে জনসন রোডে ঢাকা পিকচার্স প্যালেসের প্রতিষ্ঠাতা মুড়াপাড়ার জমিদার মুকুল ব্যানার্জী ‘মুকুল হল’ নামে প্রেক্ষাগৃহটি প্রতিষ্ঠা করেন। বেশ কয়েকবার মালিকানা বদলের পর ১৯৭৪ সালে এইউএন খলিলুর রহমান আজাদ কিনে নেন হলটি, পরিবর্তন করেন নাম। কয়েকবছর আগে তার মৃত্যুর পর হলটির মালিক হন তিন ছেলে। এছাড়া খলিলুর রহমানের আরেকটি হল ‘লায়ন’ ভেঙ্গে মার্কেট নির্মাণ শুরু হয়েছে বেশ আগেই। সেখানে সিনেপ্লেক্সেও রাখা হচ্ছে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.