ইভটিজিংয়ের আসামিকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। ওই সময় পুলিশের এক নারী উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সিদ্ধিরগঞ্জের পূর্ব নিমাইকাশারি এলাকায় এক কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককে আটক করার পরে ওই হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ ছাত্রলীগের নেতাসহ সাতজনকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।

 


আহত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সুমনা পারভীন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘সিদ্ধিরগঞ্জের এক কলেজ ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের (ইভিটিজিং) অপরাধে নোমান (১৮) নামে এক বখাটের খোঁজ করতে গেলে তার ভাই আল মামুনসহ বেশ কয়েকজন পুলিশের কাজে বাধা দেয় ও পুলিশের উপর হামলা চালায়। ওইসময় তিনি (এসআই সুমনা পারভীন) ও কনস্টেবল জুলকারনাইন আহত হয়। পরে পুলিশের আরেকটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে।

আটককৃতরা হলো, হাবিবুর রহমান হাবিব (২৫), জাহাঙ্গীর আলম সাকিব (২৪), আল মামুন (২৩), মনোয়ার আহমেদ তামিম (২৪), কিবরিয়া সাকিফ (২৪) সাইফুল ইসলাম রাহুল (১৯) ও বাবু (২০)। এ খবর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের মাঝে ছড়িয়ে পড়লে প্রায় শতাধিক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সমানে অবস্থান নেয়। তাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান হাবিব সিদ্ধিরগঞ্জ ৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ও আল মামুন সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছে। বাকিরা ছাত্রলীগের কর্মী বলে জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রফিকুল ইসলাম জানান, ইভটিজিংয়ের অভিযোগে তদন্ত করতে গেলে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা-কর্মী পুলিশের এসআই সুমনা পারভীন ও কনস্টেবল জুলকারনাইনের উপর হামলা চালায়। পরে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীকে আটক করে।

এছাড়াও আহত দুই পুলিশ সদস্যকে স্থানীয় ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সাত নেতা-কর্মীকে আটক করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় আনার পর ছাত্রলীগের শতাধিক নেতা-কর্মী সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সামনে জড়ো হয়। এসময় তারা আটককৃতদের মুক্তির দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তাদেরকে শান্ত করে পুলিশ।

এদিকে বিকাল ৪ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত এ ঘটনা নিয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনায় বসেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মজিবুর রহমান ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আলী আকবর। আলোচনার বৈঠকের পর এস আই সুমনা পারভীন বাদি হয়ে পুলিশের কাজে বাধা প্রদান করায় নাসিক ৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুনকে আসামী করে মামলা দায়ের করে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.