শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দলের নতুন কমিটির নেতাদের বৈঠকে এ শপথ নেয়া হয়। বৈঠক শেষে সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দেশে গণতন্ত্র নেই উল্লেখ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে পারে সংগঠনকে সেভাবে গড়ে তোলার শপথ নিয়েছে দলটি।

 নির্বাচনের জন্য সব সময় দলগত ও  সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত বিএনপি


বিএনপির নতুন কমিটির যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের নিয়ে এ বৈঠক হয়। বেলা ১১টা থেকে দুপুর পৌনে ১টা পর্যন্ত বৈঠক চলে। গত ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর তিন ধাপে এখন পর্যন্ত ৪০ জন নেতার নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

বিএনপির বৈঠক প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির কমিটি (আংশিক) ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতাদের নিয়ে এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ভবিষ্যতে আরো কিভাবে উন্নত ও বেগবান করা যায় সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘বৈঠকে ভবিষ্যৎ আন্দোলনকে ঘিরে দলকে আরো শক্তিশালী করা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বিএনপি যে নেতৃত্ব দেবে সংগঠনকে সেভাবে গড়ে তোলার শপথ নেয়া হয়েছে।’

বিএনপির এ মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতাসীনরা একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন করার জন্য বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়নের মাধ্যমে গণতন্ত্রের সমস্ত স্তম্ভকে ভেঙ্গে দিয়েছে। দেশে একটি স্বৈরতান্ত্রিক অবস্থার সৃষ্টি করেছে। দেশকে এখান থেকে বের করে আনার জন্য নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সত্যিকার অর্থে সকলের অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। সরকার অবিলম্বে এ ধরনের নির্বাচনের ব্যবস্থা না করলে দাবি আদায়ে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামতে হবে। সেজন্য বিএনপির যে অতীত ভূমিকা সেটিকে সামনে নিয়ে আসতে হবে, নেতাকর্মীদের নতুন করে উজ্জীবিত করতে হবে। সে লক্ষ্যেই আজকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনের জন্য যাদের আলাদা কোনো প্রস্তুতি নিতে হয় না। ১৯৯১ সালে বিজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও বিশ্লেষকরা বলেছিলেন যে, বিএনপি ১০-১১টি আসনে প্রার্থী দিতে পারবে। অথচ দেখা গেল, বিএনপি সরকার গঠন করেছে।’

এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি নির্বাচনের জন্য সব সময় দলগত ও  সাংগঠনিকভাবে প্রস্তুত থাকে। তবে সে নির্বাচন অবশ্যই নির্দলীয়, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হতে হবে।’

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,‘ প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এ ব্যাপারে খুব শিগগিরই দলের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়া হবে, সেখানে আপনারা (গণমাধ্যম) বিস্তারিত জানতে পাবেন।’

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.