মানুষ সাত সমুদ্র পাড়ি দেয় নতুন আবিস্কারের নেশায়, গল্পকথায় পাওয়া প্রেমিকার জন্য কিংবা নতুন কোন রেকর্ড গড়তে। কিন্তু মুরগীর সমুদ্র অভিযাত্রার পেছনে রহস্য কি? বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমনই এক অভিযাত্রী মুরগির সমুদ্র অভিযানের নেপথ্য কাহিনী 

মুরগির সমুদ্র অভিযান!

মুরগিটির নাম মনিক। ফ্রান্সের ব্রিটানি অঞ্চলে তার বাস। ২ বছর ধরে সে অভিযাত্রী গাইরেক সুডির সঙ্গী হয়ে ঘুরছে নানা সমুদ্রে। ইতোমধ্যেই ক্যানারি আইল্যান্ড থেকে আফ্রিকার পশ্চিম উপকূল হয়ে তারা ঘুরে বেরিয়েছে ক্যারিবিয়ান আইল্যান্ডে। সেখানে উত্তর দিকে যাত্রা করে তারা গেছে আর্কটিক সাগরে। এখন তারা আছে গ্রিনল্যান্ডে। বিশ্ব ভ্রমণের গোড়ার দিকে ২০১৪ সালে ক্যানারি আইল্যান্ডে থেকে সে মনিককে তার জাহাজে ওঠায়। গাইরেক বলছিলেন, জাহাজের অভিযাত্রী তারা দু`জন হলেও বেশিরভাগ পরিশ্রম তাকেই করতে হয়। মনিকের কাজ হলো জাহাজের ডেকে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা। গ্রিনল্যান্ড থেকে বিবিসির সাথে এক সাক্ষাৎকারে গাইরেক বলেন, "শুরুতে আমি ভেবেছিলাম এই অভিযানে সঙ্গী হিসেবে একটি বিড়াল নেয়া যায় কি না। কিন্তু ভেবে দেখলাম বিড়াল নেয়ার ঝামেলা অনেক। কিন্তু তার অনেক দেখাশুনা দরকার হবে। কিন্তু মুরগির ক্ষেত্রে সেটা হবে না। আর বাড়তি পাওনা হবে ডিম।" দিনের বেলা মনিক ৩৯-ফুঠ লম্বা জাহাজের পুরোটা নির্বিঘ্নে ঘুরে বেড়ায়। আর রাত হলে, কিংবা আবহাওয়া খারাপ থাকলে, তাকে তার ছোট্ট ঘরে ঢুকিয়ে দেয়া হয়। গাইরেক বলছেন, "মুরগি হলেও মনিক খুবই সাহসী। তার ভয় ছিল সমুদ্রের ঢেউ দেখে সে হয়তো ঘাবড়ে যাবে। হয়তো হাজাজ থেকে পানিতে পড়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি।" এই দুজনের অভিনব সমুদ্র অভিযানে এখন পর্যন্ত কোন বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেনি। শুধুমাত্র গ্রিনল্যান্ডে যাওয়ার পর সেখানকার লোকজন মনিককে নিয়ে খুবই উৎসাহী হয়ে পড়ে। কারণ গ্রিনল্রান্ডে কোন পোল্ট্রি শিল্প নেই। এর পরের দফায় এই দুই অভিযাত্রী সুমেরু সাগর পাড়ি দেবে, এবং বেরিং প্রণালী অতিক্রম করে তারা অ্যালাস্কা গিয়ে পৌঁছুবে। 

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.