ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর তাণ্ডবে বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকার হাজারো মানুষ এখনো খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। 


সরকারিভাবে পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করে যথাযথ ত্রাণ পৌঁছানো হচ্ছে বলে দাবি করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে বাড়িঘর হারিয়ে আশ্রয় কেন্দ্র ও খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে উপকূলের লক্ষাধিক মানুষ। লণ্ডভণ্ড হয়েছে ১০ হাজার বাড়িঘর, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অর্ধশতাধিক পরিবার। বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়ে নিহতদের পরিবারের কান্নায় খানখানাবাদের আকাশ ভারি হয়ে উঠছে। উপজেলার খানখানাবাদ, ছনুয়া ও গন্ডামারা ইউনিয়নের প্রত্যন্ত এলাকা এখনো পানির নিচে রয়েছে। প্রতিনিয়ত জোয়ার-ভাটার কারণে স্বাভাবিক হতে পারছে না জনজীবন। খানখানাবাদ ইউনিয়নের প্রেমাশিয়া রোসাংগ্রীপাড়া রায়ছটার অধিকাংশ এলাকার মানুষ বিধ্বস্ত বাড়িঘর মেরামত করতে না পারায় খোলা আকাশের নিচে জীবনযাপন করছেন। দুর্গতদের জীবনে নেমে এসেছে ভয়াবহ বিপর্যয়। তাছাড়া দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট।

১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়েও এ এলাকায় প্রায় ৪০ হাজারের অধিক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। তাছাড়া ৩১ কি.মি. বেড়িবাঁধের মধ্যে ১৬ কি.মি. অরক্ষিত। বেড়িবাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট লোকালয়ের সঙ্গে মিশে একাকার। ওই বেড়িবাঁধের ভাঙা পয়েন্টগুলো দিয়ে ঘূর্ণিঝড় রোয়ানুর ফলে ৫-৬ ফুট উচ্চতায় জলোচ্ছ্বাসের পানি এলাকায় প্রবেশ করেছে। বাঁশখালীর উপকূলে মানবতার বিপর্যয় ঘটেছে। অচিরেই এ অসহায় মানুষদের পাশে সরকার ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের দাঁড়ানোর আহবান অভিজ্ঞ মহলের। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাছুদুর রহমান জানান, সরকারের তরফ থেকে এ পর্যন্ত ৫০ টন চাল বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা আমরা স্ব স্ব এলাকায় পৌঁছে দিয়েছি।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.