স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে উত্খাত করতে ইসরায়েলের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। সেই সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করা আসলাম চৌধুরী এই চট্টগ্রামের মানুষ। কোনো চক্রান্তই শেখ হাসিনা ও তার সরকারকে উত্খাত করতে পারবে না।


 


সরকার উত্খাতে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ১৪ দলের উদ্যোগে আয়োজিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। গতকাল বিকেল ৫টায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর। কিন্তু তিনি দেশের বাইরে থাকায় সভায় যোগ দিতে পারেননি।

নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল এমপি, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিন আক্তার, তরিকত ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় মহাসচিব এমএ আউয়াল, ন্যাপ কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এনামুল হক, সাম্যবাদী দল কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি (জেপি) মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম, গণআজাদী লীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এস কে সিকদার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক ডা. সাদাত হোসেন, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় পলিটব্যুরোর সদস্য কামরুল আহসান, বাসদ পলিটব্যুরোর সদস্য আবদুস সামাদ, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া প্রমুখ। সভায় প্রায় সব বক্তার বক্তব্যেই উঠে আসে কারাবন্দি নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রণির মুক্তির বিষয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ১৪ দলের সমন্বয়ক মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই হবে। তবে ২০১৯ সালের একদিন আগেও নির্বাচন হবে না। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামবাসীকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করে চলেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, চট্টগ্রামে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় অবশ্যই হবে। দ্রুত কাজ শুরু হবে।
সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মঈনুদ্দিন খান বাদল বলেন, সরকার আমাদের, প্রধানমন্ত্রীও আমাদের। রনি দুর্ঘটনার শিকার। ষড়যন্ত্র হয়েছে। রনিকে ১৫ মিনিট সময়ও দেয়া হয়নি। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দ্রুত কারাগারে পাঠিয়েছেন। অথচ সন্ত্রাসের রানী খালেদা জিয়া বারবার সময় নিচ্ছেন, কিন্তু গ্রেফতার হচ্ছেন না।

দিলিপ বড়ুয়া বলেন, বিএনপি-জামায়াত চক্র দেশের মানুষ থেকে পৃথক হয়ে এখন গুপ্তহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। তারা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও স্বার্থবাদী মহলকে দেখাতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ভালো নেই, এখানে নির্বাচন দিতে হবে, না হলে এ রকম হত্যা চলতে থাকবে। কিন্তু কোনো কিছুতেই কাজ হবে না।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.