গর্ভবতী মায়েরা যদি শিশুর বাড়তি আইকিউ ও বুদ্ধিমত্তা দেখতে চান, তাহলে এখন থেকেই তাদের প্রচুর পরিমাণে ফল খাওয়া উচিত। কারণ নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মা গর্ভাবস্থায় বেশি ফল খান, তাদের সন্তানরা হয় প্রচণ্ড মেধাবী ও বুদ্ধিমান।


 খবর হেলথ নিউজ লাইন। গবেষকরা জানতে পেরেছেন, গর্ভাবস্থায় প্রচুর ফল গ্রহণের সঙ্গে শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নয়নের সরাসরি সংযোগ রয়েছে। আর এ গবেষণার ফল প্রকাশ হয়েছে ই-বায়ো মেডিসিন নামের এক জার্নালে। কানাডার অ্যালবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের একটি দল এক বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে এ পরীক্ষা চালায়। তারা দেখতে পায়, যেসব মা গর্ভাবস্থায় দিনে ছয়-সাতবার ফল বা ফলের রস গ্রহণ করেছিলেন, জন্মদানের এক বছর পর তাদের সন্তানদের আইকিউ দাঁড়িয়েছে অন্য শিশুদের তুলনায় বেশি।  এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান অ্যালবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিউশ মানধানের বক্তব্য, গর্ভাবস্থায় মায়ের ফল খাওয়ার পরিমাণ শিশুর বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নতির অন্যতম বড় নিয়ামক। গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা ৬৮৮ জন এক বছর বয়সী শিশুর তথ্য পর্যালোচনার সময় গর্ভাবস্থায় মায়েদের ফল গ্রহণের পরিমাণের পাশাপাশি শিশুর শিক্ষা ও বিকাশে প্রভাব ফেলার মতো কিছু বিষয় যেমন— পিতা-মাতার জীবনাচরণ, শিক্ষা, পারিবারিক আয় ও শিশুর গর্ভকালীন বয়সও বিবেচনায় নেন। মানধানে বলেন, শিশু যত বেশি সময় মায়ের গর্ভে থাকে, তার উন্নতি তত বেশি হয়। এ সময় যদি মায়ের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফল গ্রহণের পরিমাণ একবার বাড়ানো যায়, তাহলে শিশুর জন্য এ সুফল দাঁড়ায় মায়ের গর্ভে এক সপ্তাহ বেশি সময় অবস্থানের সমপরিমাণ। আরো গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য মানধানে তার সহগবেষক ফ্রাঁসোয়া বোলদুকের সঙ্গে ফলভোজী কিছু মাছির ওপর গবেষণাগারে পরীক্ষা চালান। তারা দেখতে পান, মাছির ক্ষেত্রেও বাচ্চা জন্ম দেয়ার আগে ফল ভোজনের প্রভাবে বংশধরদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশের লক্ষণ দেখা গেছে। তবে মানুষ ও মাছি উভয় ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, শুধু শিশুকে ফল খাওয়ানোর মাধ্যমে তাদের বুদ্ধিবৃত্তিতে কোনো ধরনের উন্নতি সাধন করা যায়নি।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.