জয়ের খুব কাছাকাছি এসে শেষ তিন বলের ট্র্যাজেডীতে ভারতের কাছে বাংলাদেশ দলের হেরে যাওয়া নিয়ে এখনো চলছে গবেষণা। টুইটারে মুশফিকুর নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমাপ্রার্থী হয়েছেন। শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে অনুশীলন করতে এসে মাহামুদুল্লাহ রিয়াদ ওই হারে নিজের দায় নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 

ছক্কা মারার ক্ষমতা নেই মুশফিকুরের


ছুটি কাটাতে কাশ্মীরে অবস্থানকালে মাশরাফিকেও ওই হারের দুঃসহ স্মৃতি স্থানীয় মিডিয়াকে বলতে হয়েছে। ওই হারের পর বেঙ্গালুরুতে না খেয়ে রাত কাটানোর মতো ঘটনাকেও এনেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক প্রকাশে। টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে চিন্নাম্বামী স্টেডিয়ামে শেষ ওভারে ৩ বলে ২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে যেয়ে মুশফিকুর,মাহামুদুল্লাহর নির্বোধের মতো নেয়া শটে বাংলাদেশ ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে এই দুই সিনিয়র ক্রিকেটার যখন খলনায়ক, তখন তাদের উপর দায় চাপানোর পক্ষে নয় বিসিবি। বেঙ্গালুরু ট্র্যাজেডী যখন ভুলতে চাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট প্রেমীরা, তখন ওই শেষ তিন বলের থ্রিলারকে সামনে এনেছেন ভারত পেস বোলার হারদিক পান্ডে। প্রথম স্পেলে ২-০-২০-০! প্রথম ওভারে সাব্বির রহমান রুম্মানের কাছে পর পর ২টি বাউন্ডারি খাওয়া, যার মধ্যে একটি বাউন্সারকে হুক শটে বাউন্ডারি দেখে মাথার চুল ছিড়ে ফেরার যোগাড় হারদিক পান্ডের। দ্বিতীয় ওভারে সাকিবের কাছে ছক্কা খাওয়ার পর থামিয়ে দিয়েছিলেন হারদিক পান্ডেকে ধোনী। শেষ ওভারে ১১ রানের লক্ষ্য যখন বাংলাদেশের, তখন প্রথম স্পেলে অমিতব্যয়ী বোলার সেই হারদিক পান্ডের হাতে বল তুলে দিয়েই জুয়া খেলতে চেয়েছিলেন ধোনী। শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে শর্ট অব লেন্থ ডেলিভারীতে মুশফিকুরের কাছে কভার দিয়ে খেল পান্ডে বাউন্ডারি, তৃতীয় বলটিতে স্কুপ শটে লং লেগ দিয়ে বাউন্ডারি শটে বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামকে করেছেন মুশফিকুর হতভম্ব। ৩ বলে বাংলাদেশের লক্ষ্য যখন ২ রান, তখনো নাকি শান্ত ছিলেন ধোনী। তার নির্দেশনা ছিল একটাই, বোলিং উপভোগ। সেই অজানা কথাই গতকাল ভারতের ওয়েবসাইট স্পোর্টসকিডাকে দিয়েছেন হারদিক পান্ডে গতকাল। ছক্কা মারার ক্ষমতা নেই মুশফিকুরের, সে বদ্ধমূল ধারনা নাকি ছিল পান্ডের ‘ধোনী বলেছিলেন, কোনো ধরনের চাপ না নিয়ে বোলিংয়ের মুহূর্তটি উপভোগ করতে। জানতাম আমাকে খুন করে ছক্কা মারার ক্ষমতা নেই মুশফিকুর রহিমের। সে আমার বলে বাউন্ডারি মেরেছে তা ঠিক, তবে ছক্কা মারা তার সাধ্যির বাইরে।’ হারদিক পান্ডেকে পর পর দুটি বাউন্ডারি মারার পর মাহামুদুল্লাহ’র আগাম উৎসবের জবাব দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন পান্ডে‘আমাকে পর পর ২টি বাউন্ডারি মারার পর যখন মুশফিকুর উৎসব করেছে, তখন তাকে আমি বলেছি, ম্যাচটি তো শেষ হয়ে যায়নি। তারপর সে তালগোল পাকিয়ে ফেলল। তাদের তখনো জয়ের জন্য ২ রান দরকার। মুশফিকুর রহিম এবং মাহামুদুল্লাহ গর্বের শট নিতে যেয়ে নিজেদের উইকেটই বিলিয়ে দিয়ে আসলো।’ ওই দুটি শটে বাংলাদেশ দল তাদের অনভিজ্ঞতার কথাই প্রকারান্তরে প্রকাশ করেছে বলে মনে করছেন পান্ডে‘বাংলাদেশ দল যে কতোটা অনভিজ্ঞ, সেটাই দেখাল তারা। যে কোন বিচক্ষন ক্রিকেটার জয়টা আগে নিশ্চিত করতে চাইবে, কিন্তু তারা জয়ের মুখে এসে হার বরন করে নিল।’ ওভারের শেষ বলে ১ রান নিতে পারলেই টাই করতে পারত বাংলাদেশ। এমন থ্রিলারের মুখে দাঁড়িয়ে শেষ ডেলিভারীর আগে অধিনায়ক ধোনীর নির্দেশনা ছিল ব্যাক অব লেন্থে বল করা। সেই নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে পেরেছেন বলে জানিয়েছেন পান্ডে‘ধোনি এবং আমি দু’জনই মনে করছিলাম ইয়র্কারের চেয়ে ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারি বেশি কার্যকরী হবে। কারন, টেল এন্ডাররা অনেক সময় ইয়র্কারেও বাউন্ডারি মারতে পারে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.