আপনি ধূমপায়ী হোন বা না হোন, ধূমপায়ীদের কাশির শব্দ শোনেননি- এমনটা হওয়া অসম্ভব! স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর ধূমপানের অভ্যাস যদি একান্ত ছাড়তে নাই পারেন কেউ, তাহলে তার জন্যও রয়েছে বিকল্প- সম্পূর্ণ ঘরোয়া পথ্য- ভেষজ পরিষ্কারক!




আসুন জেনে নিই ঘরোয়া পরিষ্কারকটি তৈরিতে ব্যবহৃত উপাদানগুলোর গুণের কথা-

আদা
প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত মশলা আদা দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন রোগের পথ্য হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। ফুসফুসে জমে থাকা অতিরিক্ত ‘মিউকাস’ বা শ্লেষ্মা দূর করে আদা।

পিঁয়াজ
পিঁয়াজ কতটা স্বাস্থ্যকর, সে সম্পর্কে জানেন না এমন মানুষ কমই আছেন। ক্যান্সারবিরোধী দারুণ কার্যকরী উপাদান তো পিঁয়াজে রয়েছেই, পাশাপাশি বহুবিধ রোগের প্রকট অবস্থাও সারিয়ে তোলার মত প্রতিরোধক হিসেবেও দারুণ কাজ করে এই মশলাটি। বিশেষ করে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের কার্যকরী ক্ষমতা রয়েছে পিঁয়াজে।

রসুন
পিঁয়াজের মতই গুণাবলী রয়েছে রসুনেরও। ক্যান্সারপ্রতিরোধী উপাদান সমৃদ্ধ রসুন গুরুতর পর্যায়ের রোগও সারিয়ে তুলতে সক্ষম। ফুসফুসে যেকোনো ধরনের সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যকর এই মশলাজাতীয় খাবারটি।

হলুদ
খাবারের রং সুন্দর করতে ব্যবহৃত হলুদের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধী গুণাগুণের কথা কে না জানে! এই মশলাটি নানারকম ভিটামিন, খনিজ খাদ্য উপাদানে পরিপূর্ণ তো বটেই; পাশাপাশি এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড। হলুদের ভাইরাসবিরোধী, ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ও ক্যান্সারবিরোধী কার্যক্ষমতা মানবদেহকে ক্ষতিকর রোগজীবাণু থেকে বাঁচায় ও প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় এটি অত্যাবশ্যকীয়।

ফুসফুস পরিষ্কারক
এবার দেখে নেওয়া যাক যে ঘরে বসে প্রাকৃতিক ফুসফুস পরিষ্কারকের মতো পথ্যটি কীভাবে তৈরি করতে হবে-

প্রয়োজনীয় উপকরণ
৪০০ গ্রাম পিঁয়াজ
এক লিটার পানি
৪০০ গ্রাম চিনি (চিনির একটি ভালো বিকল্প হতে পারে মধু)
দুই টেবিল চামচ হলুদ
এক ইঞ্চি একটি আদার টুকরা

প্রস্তুত প্রণালী
পানি ও চিনি একসাথে ফোটান। পিঁয়াজ চারকোণা ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন ও ফুটতে থাকা পানিতে ঢেলে দিন। আদাও কুচি করে পানিতে যোগ করুন। এই মিশ্রণটি পুরোপুরি ফুটে উঠলে হলুদ মিশিয়ে দিন, আগুনের আঁচ কমিয়ে দিন। মিশ্রণটি কমে অর্ধেক না হয়ে আসা পর্যন্ত চুলায় রাখুন, এরপর নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন এবং একটি বাতাসরোধক পাত্রে ঢেলে ফ্রিজে রেখে সংরক্ষণ করুন।

ব্যবহারের নিয়ম
সকালে কোনো কিছু খাওয়া বা পান করার আগেই দুই টেবিল চামচ তরল পরিষ্কারকটি পান করুন ও রাতের খাওয়া শেষ হওয়ার দু’ ঘণ্টা পরও একই কাজ করুন।

মনে রাখতে হবে যে যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিরোধক ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। ‘বেশিদিন বাঁচতে চাইলে ধূমপান ছাড়ুন’- এই সুপরামর্শটি শোনেননি, এমন মানুষ পাওয়া ভার। তাই ধূমপানের অভ্যাস পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়াই উচিত, কারণ চিকিৎসার চাইতে রোগ প্রতিরোধই উত্তম। কিন্তু তাও অভ্যাসটি ছাড়া কঠিন হয়ে দাঁড়ালে এই পরিষ্কারক দারুণ ঔষধি কাজ করবে নিঃসন্দেহে।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.