ত্রিনিদাদ থেকে মুম্বাইয়ে উড়ে এসে ৮২ রানের ম্যাচ উইনিং ইনিংসে ফাইনালে তুলেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিমন্স। সেমিফাইনালে ঝটপট গেইলের বিদায়, ইনফর্ম ফ্লেচারের হ্যামেস্ট্রিং ইনজুরি এতোকিছুও বাধা হতে পারেনি। মুম্বাইয়ের গ্যালারি ভর্তি দর্শকের স্বাগতিক দলকে সমর্থন পর্যন্ত এতোটুকু দূর্ভাবনায় ফেলেনি উইন্ডিজকে। 

দু’দফায় লম্বা ঘুম দিলেন সিমন্স


বরং ত্রিনিদাদ থেকে উড়ে এসে সিমন্স ছড়িয়েছেন বিস্ময়! ছিলেন না উইন্ডিজ স্কোয়াডে, ত্রিনিদাদে নিজের বাসায় বসে টি-২০ বিশ্বকাপে গেইল, ফ্লেচার, স্যামুয়েলসদের খেলা দেখেই ছিলেন সন্তুষ্ট সিমন্স। আফগানিস্তানের কাছে গ্রুপ রাউন্ডের শেষ ম্যাচে হারের পর হঠাৎ ভারত থেকে ক্লাইভ লয়েডের ফোন ‘তুমি কি ফিট এবং আত্মবিশ্বাসী, ফ্লেচারের রিপ্লেশমেন্ট হিসেবে টি-২০ বিশ্বকাপ দলে যোগ দিতে পারবে?’ উইন্ডিজ এমন ফোন পেয়ে সোফা থেকে উঠে দাঁড়ালেন সিমন্স। ত্রিনিদাদ থেকে দু’টি লম্বা ফ্লাইটে আকাশ পথে ভ্রমণ শেষে মুম্বাইয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে অনুশীলনে হাজির সিমন্স ! কিভাবে এতো লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে অনুশীলনে যোগ দিয়েছে ছেলেটি? ক্লান্তি তো পেয়ে বসার কথা! অথচ কি জানেন, এতোটুকু ক্লান্তির লেশমাত্র পড়তে দেননি, বিমানেই নাকি ঘুমিয়ে নিয়েছেন প্রয়োজনীয় বিশ্রাম সিমন্স ‘ম্যাচটির জন্য যতোটা বিশ্রামের প্রয়োজন ছিল, তা নিতে পেরেছি। সকালে এসে প্র্যাকটিস করতে হবে, তাই আমি ২টি ফ্লাইটেই ঘুমিয়ে কাটিয়েছি। প্রথম ফ্লাইটে বেলা ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঘুমিয়েছি। পরের ফ্লাইটে রাত ১২টা থেকে সকাল ৪টা পর্যন্ত ঘুমিয়েছি। তাই বিশ্রামটা ভালই নিতে পেরেছি।’ মুম্বাই ইন্ডিয়ামেন্সর হয়ে আইপিএলএ খেলেছেন বলে মুম্বাইয়ের মাঠটি তার চেনা জানা, উইকেটের চরিত্রটাও ভালই জানা তার। এটাও কাজে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন সিমন্স ‘আমি এখানে এসে শুক্রবার ছুটি পেলাম, আইপিএলএ মুম্বাইয়ের হয়ে খেলার জন্য প্রস্তুত করছি। আমি দেখলাম আইপিএল’র জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার দারুন সুযোগ এটি। এক অর্থে এটা আমার হোম গ্রাউন্ডের মতো দেখতে। কারণ, এখানকার কন্ডিশন আমার ভালই জানা।’

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.