কথায় আছে- রাখে আল্লা, মারে কে? এই প্রবাদটি ফলে গেল হায়দরাবাদের সাধারন এক দোকানী জয়সুখবাই থাকেরের ক্ষেত্রে। ৪৫ মিনিট বন্ধ ছিল তার হৃৎপিন্ডের সকল কার্যক্রম। সেই সঙ্গে মস্তিষ্কও কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে সকলকে অবাক করে দিয়ে ৪৫ মিনিট পর আবার কাজ শুরু করে ৩৮ বছর বয়সী থাকেরের হৃৎপিন্ড।





ঘটনাটি ঘটেছে চেন্নাইয়ের ফরটিস মালার হাসপাতালে। হৃদরোগ নিয়ে হাসপাতলে ভর্তি হয়েছিলেন থাকের। একদিন সকাল সাড়ে আটটার দিয়ে হঠাৎ তার স্ত্রী মানিষা চিৎকার করে ডাকতে থাকে চিকিৎসক এবং নার্সদের। কর্তব্যরত চিকিৎসক সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যান নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ)। হার্ট অ্যাটাক কিংবা হার্ট ফেইলরের ক্ষেত্রে সাধারানত চিকিৎসকরা ঘটনার পর থেকে ৩০ মিনিট পর্যবেক্ষণ করেন। অর্থাৎ রোগীকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু থাকেরের ক্ষেত্রে ৩০ মিনিট সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও তিনি কোন সাড়া দেননি। যেহেতু রক্ত সরবরাহ বন্ধ সেজন্য মস্তিষ্কসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গও ধীরে ধীরে অকেজো হয়ে পড়ে।

কার্ডিওলজিস্ট রবিকুমার বলেন, ‘খুব জটিল সময় ছিল। চিন্তা এবং উদ্বিগ্নতা বাড়ছিল।’ ৪৫ মিনিট পর চিকিৎসকদের অক্লান্ত চেষ্টা এবং ভাগ্যের জোরে চিকিৎসায় সাড়া দিতে শুরু করেন থাকের। চিকিৎসকরাও হয়ে উঠেন তৎপর। অলৌকিকভাবে জীবন ফিরে পেলেও এর পর দেখা দেয় আরেক বিড়ম্বনা। কোমায় চলে যান থাকেন। টানা ১০দিন কোমায় থেকে পুনর্জীবন ফিরে পেয়েছেন থাকের।

আজ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরছেন তিনি। থাকেরের স্ত্রী মানিষা বলেন, ‘আমি শুনেছিলাম কেউ কোমায় চলে গেলে, আর ফিরে আসে না। মনে করেছিলাম, স্বামীকে হয়তো চিরদিনের মতো হারিয়ে ফেললাম। কিন্তু কিছু সময় পরে নার্সদের বলতে শুনি, উনি চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছেন।’

আজ হাসপাতাল ছেড়ে যাবার সময় আবেগ আপ্লুত থাকের বলেন, ‘আমি এখন সহজেই নিঃশাস নিতে পারি। ভালো লাগছে এই ভেবে যে আবার কাজে ফিরতে পারবো।’

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.