কানে-মুখে কথা হলে আমরা বলি- কানাকানি! তাহলে চুমুর সময় নাকে-নাকে ঘষা লাগলে তাকে কী বলব? কিংবা গভীর আলিঙ্গনাবদ্ধ অবস্থায় চুমু খেলে তারই বা কী নাম? এসব ভেদে নিশ্চয়ই নতুন নতুন চুমো আছে! চলুন আপাতত দেখে নিই- বারোরকমের চুমুর নাম ও ব্যবহার।

 


১. সবচেয়ে আলোচিত চুম্বন পদ্ধতির নাম মনে হয় স্পাইডারম্যান কিস। যারা স্পাইডারম্যান ছবিটি দেখেননি এই উছিলায় সেটা দেখে নিতে পারেন। পা ওপরের দিকে আর মাথা নিচের দিকে রেখে ঠিক উল্টোমুখো প্রেমিকা/স্ত্রীকে চুমু দেওয়াকে স্পাইডারম্যান কিস বলে। সেটা যে স্পাইডারম্যানের মতো ঝুলন্ত হতে হবে এমনটা নয়।

২. চুমু খাওয়ার সময় যদি পরস্পরের নাক একে অপরকে স্পর্শ করে তবে সেই চুমুর নাম এসকিমো কিস! এতে নাকি অত্যধিক স্নেহ প্রকাশ পায়।

৩. অনেকক্ষণ সময় নিয়ে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খাওয়াকে বলা হয়- লঁজারি কিস।

৪. চুমু খেতে খেতে সঙ্গীকে জাপটে ধরে পেছনের দিকে আস্তে আস্তে ধাক্কা দিন। অথবা দুজনে একটা নির্দিষ্ট জায়গায় গোল হয়ে ঘুরতেও পারেন। এ ধরনের চুমুকে বলা হচ্ছে মুভিং কিস।

৫. আঙুর, চকলেট, চেরির শৈল্পিক ব্যবহারে চুমুর জুড়ি মেলা ভার। এগুলোর যেকোনো একটি মুখে নিয়ে আলতো করে ঠোঁট মেলান সঙ্গীর ঠোঁটে। এরপর তা চালান করে দিন সঙ্গীর মুখে। চুমু চলতেই থাকবে, আপনার সঙ্গী ফের এটি আপনার মুখে চালান করে দেবেন। এভাবেই চুমু চলবে আঙুর, চেরি কিংবা চকলেট শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত।

৬. আপনার সঙ্গী ঘুমিয়ে পড়েছেন অনেকক্ষণ। তাকে জাগানো প্রয়োজন! আপনি আলতো করে তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখুন। কিংবা চুমো দিতে পারেন চোখের পাতায়। এই চুমুতে কিছুটা হলেও বিস্মিত (সারপ্রাইজড) হবেন আপনার সঙ্গী। সে জন্য এই চুমুকে বলা হচ্ছে সারপ্রাইজ কিস।

৭. বিশেষ দিনে নিশ্চয় সাদামাটা চুমো মন ভরে না! বিশ্ব ভালোবাসা দিবস কিংবা নিজেদের বন্ধন আরো দৃঢ় করবার দিনটিতে এই চুমো দিয়ে একে অপরকে আরো বেশি আপন করে নিতে পারেন। নিজের সঙ্গে প্রিয়জনকে সিল করে দিতে পারেন এই চুমুতে! কানের কাছে মুখ নিয়ে বলুন- আমি তোমাকে এত্তো এত্তো ভালোবাসি। তারপর কানেই বসিয়ে দিন একটি চুমু! সিলগালা করে ভেতরে রেখে দিন ভালোবাসাটা! এ ধরনের চুমুকে বলে- ইয়ার সিলিং কিস।

৮. চুমো কেবল ঠোঁটেই প্রযোজ্য! এ কথা কিন্তু আপনাকে কেউ দিব্বি দিয়ে বলেনি! তো- সঙ্গীর কপাল, গাল, গলা, স্কন্ধ, নাক, কান আরো কত জায়গা রয়েছে! সেখানে আপনি মৌনতা সম্মতির লক্ষণ- বুঝে অনায়াসে চুমো দিয়ে বসতে পারেন। আর ঠোঁট রয়েছেই! এ ধরনের চুমোচুমিকে বলে অলঅভার কিস।

৯. দুজনের কেউ একজন কাজকর্মে মহাব্যস্ত। সংসার নামক সাগরে যেন হাবুডুবু খাচ্ছেন! ঠিক এ সময় অন্যজন তাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরুন, দুহাতে মুখটা তুলে ধরুন ওপরের দিকে, এরপর নামিয়ে আনুন ঠোঁটে ঠোঁট। এমন চুমুকে বলে বাটারফ্লাই কিস।

১০. ঠোঁটের গভীরে ঠোঁট নিয়ে শুধু চুমু দেওয়াই নয়, চুমুর সঙ্গে দাঁতেরও ব্যবহার হয়। দাঁতের হালকা পীড়নে চুমু হয়ে উঠে আরো মধুর! কিন্তু খেয়াল রাখা জরুরি কোনো কারণে ঠোঁটের বাইরের বা ভেতরের অংশ কেটে না যায়। এ ধরনের চুমুকে ফ্রেঞ্চ চুমু বলে। এ চুমুতে আবার জিহ্বার ভূমিকা রয়েছে যথেষ্ট। গভীর চুমু বলতে যা বোঝায় আরকি!

১১. অত্যন্ত অন্তরঙ্গ মুহূর্তের জন্য গলায় গভীর চুমু দেওয়া হয়। এর সঙ্গে কামড়ও উপস্থিত থাকে। এ ধরনের চুমুকে বলে ভাম্পায়ার কিস।

১২. সব প্রেমে কাম নেই! সব চুমুতেও নেই! কোনো কোনো চুমুতে গভীর ভালোবাসা ও স্নেহই উপচে পড়ে। এমন যে চুমু চোখের পাতায় আলতো করে বয়ে যায়- তাকেই বলে অ্যাঞ্জেল কিস।

Post a Comment

বাংলাদেশ

[National][fbig1]

ঢাকা উত্তর

[Dhaka North][slider2]

ঢাকা দক্ষিন

[Dhaka South][slider2]

আন্তর্জাতিক

[International_News][gallery2]

ঢাকা উপজেলা

[Dhaka Upazila][fbig2 animated]

রাজনীতি

[political_news][carousel2]

অপরাধ

[Crime][slider2]
Powered by Blogger.